একটি সফল প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের র্পূবকথা
টেনশন:
একটা প্রোগ্রাম আয়োজন করবেন। কেন করবেন? এর যৌক্তিকতা কি? এটা জরুরী কেন? এটার ভবিষ্যৎ ইফেক্ট কি? এটা সংগঠনের জন্য জরুরী কিনা? প্রোগ্রামটি সমাজ ও দেশের জন্য জরুরী কিনা? প্রোগ্রামটি মানুষের বা সংগঠকদের কাজে লাগবে কিনা?
এসব প্রশ্নের উত্তর যদি হাঁ বোধক হয় তবে আপনাকে প্রথমত প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের টেনশনটি সংগঠকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
ইন্টারপারসুনাল রিলেশনশীপ:
এই টেনশনকে যথাযথভাবে ছড়িয়ে তখনই দিতে পারবেন যখন আপনার সাথে সংগঠকদের সাথে সর্ম্পকটা চমৎকার হয়। একটা প্রোগ্রামে আনার জন্য একজন সংগঠকের সাথে দশবার অনানুষ্ঠানিক আড্ডা হয়েছে কিনা দেখতে হবে। সর্ম্পকটা ১০ বার আড্ডা হয়েছে এমন জায়গায় উন্নীত করতে হবে।
পজিটিভ মানসিকতার উদ্যোক্তা:
সর্ম্পকটা তখনই চমৎকার হয় যখন উদ্যোক্তা পজিটিভ মানসিকতার হয়। মানুষের বিবেক লজিকেল। বিবেককে লজিক দিয়েই কনভিন্স করতে হবে।
সময়জ্ঞান ও দায়িত্ববোধ:
একটি বড় প্রোগ্রাম আয়োজন করার ধারাবাহিকতা হল সময়মত কাজ শেষ করার দায়িত্ববোধ। একটা কাজ সময়মত শেষ না হলে সেটি প্রোগ্রাম আয়োজনের প্রত্যেকটি জায়গায় হিট করে, প্রোবলেম করে। সংগঠকদের সময়জ্ঞান ও দায়িত্ববোধ জরুরী।
আন্তরিক বলয়:
প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের জন্য ছোট ছোট করে প্রস্তুতি কমিটির মিটিং করতে হয়। প্রতিদিনই কাজের আপডেট নিতে হয় সহসংগঠকদের থেকে। এক্ষেত্রে যেটা বিবেচনায় অগ্রগণ্য সেটি হল ভলান্টারিজমে কেউ পেইড বা সেলারিড না। এক্ষেত্রে মনে কষ্ট পাওয়ার মত আচরণ না করাটাকে চ্যাক দিতে হয়।তার অর্থ এই নয় যে যে কেউ যা ইচ্ছা আচরণ করবে। পেশাদারিত্ব বুঝা মানুষরা কখনো সময় ব্যবস্থাপনাতে গ্যাফ করেনা। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেনা।
র্নিভর করতে না পারলে তারা আসলে সংগঠক হয়না।
সততা, স্বচ্ছতা, র্নিভরতা থাকতে হবে। যাদের এই গুন গুলো নাই তারাও সংগঠক নন।
স্টাফিং বা পদায়ন:
একটা ভাইটাল বিষয় হল পদায়ন। সবার সব ধরনের যোগ্যতা থাকেনা। একেক মানুষ একেক রকম যোগ্যতা সম্পন্ন। কারো হয়ত গান গাওয়ার যোগ্যতা নাই কিন্তু খুজলে দেখা যায় তার হয়ত শুভকামনা করার যোগ্যতা আছে। এই জন্য একটি ইভেন্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাইট পারসনকে রাইট কাজ বন্টন করে দিতে হয়। ধীরে ধীরে সময় নিয়ে ইভেন্ট ভিত্তিক লোক তৈরী করতে হয়।
সংগঠক রিক্রটমেন্টের ক্ষেত্রে ইমভেলেন্স:
একটা বিশ্ববিদ্যালয় যদি চিন্তা করেন সেখানের লেকচারার বা অধ্যাপকরা এডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ করেনা, একাউন্টস দেখেনা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বডি না। বিল্ডিং বানায়না।একটি সংগঠনের মধ্যে সব ধরনের লোক রিক্রটমেন্ট না ঘটলে প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন সুন্দর করে ও স্বাভাবিক গতিতে হবেনা। সবাই ডাক্তার প্রকৌশলী হলে একাউন্টসের কাজ কে করবে? সবাই একাউন্টসের হলে চিকিৎসা করবে কে?
সুতরাং সব ধরনের লোক রিক্রটমেন্ট একটি জরুরী বিষয়।
Comments
Post a Comment