বিনি প্রসপেক্টাস
Comprehensive Social Movement
সভ্যতা বিনির্মানে আরও কিভাবে ব্যক্তি ও সাংগঠনিক অবদান যোগ করা যায় তার পথ রচনা করতে ৭ মার্চ ২০১৪ সালে বিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠা হয়। এই অবদান যোগ করাকে বিনির পরিভাষায় বলা হয় সামাজিক উদ্যোগ এবং সমাজ কল্যানের পরিভাষায় বলা হয় সামাজিক আন্দোলন ।
সেই হিসেবে ধনাত্মক সামাজিক পরির্বতন সুচনা করার জন্য বিনি গবেষনা টিম তিনটি নেট, তিনটি সেক্টর ও কিছু ওয়েলফেয়ার সেক্টরকে কাজের জন্য বাছাই করে নেয়। এই বাছাই পুরোপুরি বাংলাদেশী সামাজিক পরিবেশ বিবেচনায় গৃহিত হয়েছে।
নেটগুলো নিম্মরুপ:
পারিবারিক নেট,ফিনান্সিয়াল নেট,সামাজিক ক্লাব নেট,পেশাজীবী নেট
সেক্টর গুলো নিম্মরুপ:
নারী ও শিশু সেক্টর,শিক্ষার্থী সেক্টর,সুবিধাবঞ্চিত সেক্টর,খেলাধুলা, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি সেক্টর
ওয়েলফেয়ার কার্যক্রম গুলো নিম্মরুপ:
ডরমিটরী,পরিবেশ,ইকর্মাস,হাসপাতাল,চাইল্ড ডেকেয়ার,আবাসন,ম্যারিজ এইড, ব্লাড গ্রুপ
ছবিতে চিত্রিত ডায়াগ্রাম অনুসারে সভ্যতা বির্নিমানের জন্য অবদান রাখতে বিনি ২৪ টি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য প্রয়োজন অনুসারে কাজের ক্ষেত্র ও সংগঠন বাড়তে পারে।

Fig: Comprehensive Social Movement Diagram
বিআইএনআই (BINI) গবেষনা দেশ ও বিশ্বের জন্যে একটি ব্যতিক্রমী ও নান্দনিক পদক্ষেপ।
এটির উদ্দেশ্য হল: সভ্যতা (Civilization) বির্নিমানের লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার জন্যে ধারনাপত্র তৈরী, নীতি প্রনয়ন ও সেই আলোকে পরিকল্পনা গ্রহন করা। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ র্নিবিশেষে সবার সম্মানজনক শান্তির্পূণ সহাবস্থানের জন্যে পূন:পূন: উপায় খুজে বের করা। বড়বাগান পদ্ধতি (Wide Garden Model) ও পরিপূরক পদ্ধতির (Complementary Method) এর সমন্বিত উপায়ে আমাদের সীমাবদ্ধতা (Gap and Limitation) চিহ্নিত করে র্সাবিক ও সামগ্রিক ন্যায়বিচার (Justice), সকল জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গের জন্যে মানবতা (Humanity), সৃষ্টির প্রয়োজন (Need), সৃষ্টির অগ্রাধিকারের (Priority) বিষয়ের ব্যাপারে কৌশল গ্রহন করা।
বিআইএনআই(BINI) গবেষনা বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য তৈরী করার জন্যে, সামাজিক স্থিতিশীলতা (Stability), কমন স্কুল অব থটস (Common School of Thoughts) , থটস বিল্ডাপ (Thoughts Buildup), থটস ফিল্টারিং (Thoughts Filtering), থটস কনস্ট্রাকশন (Thoughts Construction), থটস রিকনস্ট্রাকশনের (Thoughts Reconstruction) জন্যে কাজ করে।
বিআইএনআই (BINI) গবেষনা পারিবারিক সমস্যা দুরীকরন করে পারিবারিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যে কাজ করে। ইহা নারী ও শিশুর বিকাশ, শিক্ষা ও পেশাগত সমৃদ্ধি, সামাজিক সংগঠনের আন্ত:যোগাযোগের উপায় উদ্ভাবন করার চেষ্টা করে। ইহা উচ্চশিক্ষিত বেকার নারী, শ্রেনীকক্ষের পিছনের সারির সাবেক শির্ক্ষাথী সহ গনমানুষের জন্যে উৎপাদন ও র্কমসংস্থানের লক্ষ্যে অর্থনীতির র্কাযকর রোডম্যাপের অর্ব্যথ উপায় বের করার চেষ্টা করে। ইহা সুবিধা বঞ্চিত মানুষ, সংস্কৃতি ও গনমাধ্যমের সুস্থ ও স্বাধীন বিকাশের জন্যে র্নিদেশিকা তৈরী করে।
বিআইএনআই (BINI) গবেষনা মানুষ ও পরিবেশের জন্যে পূন:পূন: সাধনা চালিয়ে যায়। বিআইএনআই (BINI) গবেষনা মনে করে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন জাতি ও সভ্যতা গঠনে একটি ভাল সমাধান।
বিআইএনআই(BINI) গবেষনার মনোযোগ হল চিন্তা-মূল্যবোধ- দক্ষতার উন্নয়ন, পারিবারিক বন্ধন, নারী ও শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ, সামাজিক সংগঠনের ঐক্য, শিক্ষা ও পেশাগত উৎর্কষতা, সুবিধাবঞ্চিত মানুষ এর জীবন মান উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও গনমাধ্যমের সুস্থ ও স্বাধীন বিকাশ, জীবনমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।

Fig: BINI work flow.
একনজরে
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউইনিশিয়েটিভ
সংক্ষিপ্ত নাম: বিনি
প্রতিষ্ঠাকাল: ৭ মার্চ ২০১৪ (আইএনআইবি)
র্বতমান নাম ধারন: ৭ মার্চ ২০১৬
র্বতমান চেয়ারম্যান: প্রফেসর ডক্টর আনোয়ারুল বাশার
র্বতমান ডিরেক্টর জেনারেল: রায়হানুল ইসলাম
প্রথম চেয়ারম্যান: অলিউল্লাহ রাব্বানী
প্রথম ডিরেক্টর জেনারেল: মনি তওরাত
উদ্যোক্তা: প্রকৌশলী মুহাম্মদ লোকমান
শাহিদা আকতার
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউইনিশিয়েটিভ
র্বতমান কমিটি:
চেয়ারম্যান: প্রফেসর ডক্টর আনোয়ারুল বাশার
ডিরেক্টর জেনারেল: রায়হানুল ইসলাম
ডিরেক্টর রির্সাচ: প্রকৌশলী মুহাম্মদ লোকমান
ডিরেক্টর ইনোভেশন এন্ড কর্মাস: মাজহারুল ইসলাম খোন্দকার
ডিরেক্টর ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট: শাহিদা আকতার
ডিরেক্টর ফিমেল এন্ড চাইল্ড: এডভোকেট লিপি কাজী
ডিরেক্টর ফিন্যান্স: তামান্না হুসাইন
ডিরেক্টর আন্ডার প্রিভিলিজ এরিয়া :
শম্পা রানী কর
ডিরেক্টর ইকোনমি: প্রকৌশলী এহাছানুর রহিম
কাজের র্বতমান অবস্থা বিবেচনায় ক্যাটাগরী ভিত্তিক বিনির সংগঠন সমূহ
১.বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউ ইনিশিয়েটিভ
(ক )
২.দৃষ্টিচক্র
৩.পাঠআড্ডা
৪.ফ্যামিলি এসোশিয়েশন ফর ক্যাপাবিলিটি এনহেন্সমেন্ট (ফেইস)
৫.নারী উচ্চারণ
৬.সংণমন আবৃত্তি একাডেমী
৭.আওয়াজ বাংলাদেশ (ইংরেজী শিক্ষার গ্রুপ)
৮.সহায় টেকনিক্যাল স্কুল (সুবিধা বঞ্চিত)
৯. খেদমত ই-ই প্লাটফরম
১০. ব্লাড রিলেশান বাংলাদেশ
১১.ম্যারিজ এইড: ম্যাট্রিমনি
১২.ইন্টার ফেইথ ইয়থ ডায়ালগ
(খ )
১৩.স্টুডেন্ট ভয়েজ
১৪.সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভ (উদ্যোগ বিডি)
১৫.ফেইস অনলাইন কমিউনিটি হসপিটাল / ফেইস কমিউনিটি হসপিটাল
১৬.উইমেন ফ্রন্ট
(গ )
১৭.চেম্বার ফর সোশ্যাল এন্ড কালচারাল অরগেনাইজেশন (সিএসসিওবিডি)
১৮. বাংলাদেশ পরিবেশবাদী বন্ধু গ্রুপ
১৯. ডরমিটরী
২০.সাফিশিয়েন্ট আবাসন
২১. বিনি র্স্পোটস (প্রস্তাবিত)
(ঘ )
২২.. হাসপাতাল
২৩. ফুড ল্যাব
২৪. অনলাইন মিডিয়া
২৫.বিনি প্রকাশন
(ঙ )
বিনি প্রভাবিত সংগঠন:
১. বিবিএফ
Build Better Family
২. এফসিসি
Family Care and Cooperation
৩. পাঈ
Professional Association for Apparel Industry
৪. আইডিয়েল রাইটারস এন্ড ব্লগারস ফোরাম
Ideal Writers and Bloggers Forum
৫. বায়ান্ন ব্লগ
৬. সেইভ দ্যা ফ্যামিলি
Save The Family
৭. রোড টু হেলদি লাইফ
Road to Healthy Life
দৃষ্টিচক্র -পাঠআড্ডা
বিনির দৃষ্টিতে উন্নয়ন মানে দক্ষতার উন্নয়ন ও মূল্যবোধের উন্নয়ন।
পাঠ আড্ডা ও দৃষ্টিচক্র -এ দুইটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে BINI মানব সম্পদের মূল্যবোধের উন্নয়নের কাজ করে।
প্রতি ২ মাস অন্তর BINI'র প্রতিটি বিভাগে একটি করে অফলাইন পাঠ আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি মাসে একটি করে পাঠ আড্ডা অনলাইনে আয়োজনের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে।
পাঠ আড্ডার ৫ বছরের একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচী আছে। প্রত্যেক পাঠ আড্ডার বিষয় পূর্ব থেকেই নির্ধারিত থাকে। প্রত্যেক সদস্য তার পাঠ্য অংশটি খোলামেলা আলোচনা করেন।
দৃষ্টিচক্র: পাঠ আড্ডার অগ্রসর সদস্যদের নিয়ে নির্দিষ্ট কোন প্রবন্ধের বা বিষয়ের উপর প্রতি ৪ মাস অন্তর একটি করে দৃষ্টিচক্র বা indoor seminar অনুষ্ঠিত হয়।
দৃষ্টিচক্র উপদেষ্টাদের নিয়েও বাৎসরিক গেটটুগেদার করে।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ডিসিপ্লিন থেকে দু তিন জন সাবেক কৃতি ছাত্রদের নিয়ে সেন্টার ফর ন্যাশনাল পলিসি এন্ড ডায়ালগ (সিএনপিডি) তৈরীর প্লান রয়েছে যারা নীতি ও আইন তৈরী করতে সরকারকে সহায়তা করবে যার মাধ্যমে আমাদের দেশ অনেকদুর এগিয়ে যেতে পারে। দৃষ্টিচক্র একটি চর্তুমাসিক প্রকাশনার নামও।
ফ্যামিলি এসোশিয়েশন ফর ক্যাপাবিলিটি এনহেন্সমেন্ট (ফেইস)
FACE: Family Association for Capability Enhancement.
পেরেন্টস সংগঠন BINI 'র র্নিদেশিত পরিবার ও অর্থনীতির সমন্বিত সেক্টর হচ্ছে FACE যার পূর্ণাঙ্গ রূপ হচ্ছে Family Association for Capability Enhancement.
পরিবার গুলোর সুখে দু:খে পাশে থাকা ও অর্থনৈতিকভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই ফেইসের উদ্দেশ্য ।
পরিবারগুলোকে অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দেয় এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বড় কিছু সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে FACE এর জন্ম ।
FACE মধ্যম বা নিম্নমধ্যম মানের সাবেক শিক্ষার্থী, উচ্চশিক্ষিত বেকার নারী, সাধারন ও নিম্নবিত্ত নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
প্রত্যেক সদস্য ও পরিচালকগণ আপাতত মাসিক ১২০০/ টাকা করে নির্ধারিত চাঁদা জমা দিবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা পরিবার নিরাপত্তা তহবিলে,
১০০ টাকা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা তহবিলে জমা হবে।
আর ১০০০ টাকা সাধারণ সঞ্চয় তহবিল বা বিনিয়োগ তহবিলে জমা হবে।
এ র্পযায়ে নিরাপত্তা তহবিল কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে আলোকপাত করা হল:
১.পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির আকষ্মিক মৃত্য হলে তার পরিবারকে অনধিক দুই বছর পর্যন্ত খোরপোষ প্রদান করা হবে।
২.পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী এমন পরিচালক ও সদস্যের হঠাৎ চাকরি চলে গেলে সংগঠন অনধিক ১ বৎসর পর্যন্ত সেই পরিবারের খোরপোষ এর ব্যবস্থা করবে।
৩.কোন সদস্য সড়ক দুর্ঘটনা বা কঠিন কোন ব্যধিতে আক্রান্ত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে স্পেশাল ফান্ড গঠন করা হয়। যেমন: ২০০ সদস্য ২০০০ টাকা করে দিলেও চার লক্ষ টাকা সহায়তা করা সম্ভব।
৪.কোন সদস্য অন্যায়ভাবে বা বিনা কারণে কারাগারে প্রেরিত হলে আইনী সহায়তার ৭০% খরচ FACE প্রদান করে যদি সেটা ফেইস লয়ার প্যানেল দ্বারা ভেরিফাইড হয়।
৫.সংগঠনের সদস্যদের সন্তানদের নবম শ্রেনী থেকে ভাল ফলাফল করার জন্যে প্রয়োজনের নিরিখে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।
৬.কর্জে হাসানা ফান্ড তৈরি করে অপেক্ষাকৃত সমস্যাগ্রস্ত পরিবারকে কোন কোন মাসে মাসিক খরচ র্নিবাহে সমস্যায় নিপতিত হলে র্কজ প্রদান বা সাহায্য করা হয় ।
৭.সংগঠনের সদস্যদের কন্যা সন্তানের বিয়ের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫০ হাজার টাকা বা তার কাছাকাছি গিফট প্রদান করা হয়।ছেলে সন্তানের বিয়ের সময়েও সম্মাানজনক গিফট প্রদান করা হয়।
৮.সংগঠনের সদস্যদের সন্তান জন্ম গ্রহণের সময় হাসপাতাল খরচ বাবদ কিছু অর্থ গিফট আকারে প্রদান করা হয়।
সংগঠনের সদস্যদের পরিবারের কেউ কঠিন রোগে নিপতিত হলে সাহায্য করার বিষয়টি বিবেচনাধীন।
ফেইস ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে কাজ করছে।
আমরা যেন আমাদের এ চেষ্টা কে সফল ভাবে বাস্তবায়িত করতে পারি সেজন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি । আমরা আমাদের পারিবারিক নেটওর্য়াককে আরো বড় করতে চাই।
নারী উচ্চারণ
নারীরা নিজেদের উদ্যোগ, ইচ্ছা ও সাহসের মাধ্যমে সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি নারীদেরকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রার জন্য নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে যেন তা দেশের ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে।
একটি সংগঠন নারীদেরকে আত্বপ্রত্যয়ী হতে শেখায়। সবাই মিলে এক সাথে কাজ না করলে উন্নয়নের কাংখিত স্থানে পৌঁছানো যাবেনা। নারীরা অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী না হলে আমরা সমতাভিত্তিক সমাজও গড়তে পারবনা।
আমরা তীব্রভাবে বিশ্বাস করি নারীদের উন্নত পড়াশোনাই পারবে নারীকে তার যোগ্য অধিকার ও সম্মানের জায়গা ফিরিয়ে দিতে, আর এজন্য নিজেকে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে যে কোন উপায়ে নিজের পড়াশোনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে নিজেকে, কোন কিছু পেতে হলে কেড়ে নিয়ে নয় যোগ্য করে তুললেই সেটা ধরা দেবেই।
সে লক্ষ্যে নারী উচ্চারণ আপাতত ৫ টি প্রোগ্রাম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
• প্রতি সপ্তাহে একটি কবিতা আড্ডা।
• প্রতি সপ্তাহে একটি ফ্রি ইংরেজী ক্লাস।
• ফ্রি আইসিটি ক্লাস।
• মাসিক একটি বই পড়া র্কাযক্রম।
• মাসে একটি মোটিভেশনাল আলোচনা সভা।
সংণমন আবৃত্তি একাডেমী
সংনমন এর শাব্দিক অর্থ = সংকোচন বা সংক্ষেপণ।পরিভাষায় বৈজ্ঞানিক সংকোচন বা সংক্ষেপণ। এই নামটিকে আমরা বিনি'র বাচিক শিল্প চর্চার সংগঠনের নাম হিসেবে পছন্দ করা হয়েছে। আমাদের এই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি।
আমরা এমন একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেছি যেখানে ধর্ম বর্ণ জাতি নির্বিশেষে বয়সের কোন ফ্রেম না রেখে একসাথে শিল্প-সাহিত্য চর্চা করা যাবে। শুদ্ধ উচ্চারণ, কবিতা আবৃত্তি চর্চা এবং সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করা সংনমন আবৃত্তি একাডেমীর লক্ষ্য।
জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ বির্নিমানের ভিত আরও শক্ত করতে হবে।
প্রতি সপ্তাহে সংনমনের র্নিদিষ্ট করে দেয়া একটি করে কবিতা বির্নিমান করা হয়।
প্রতি সপ্তাহে সবাই নিজ ভাল লাগা থেকে একটি কবিতা বাছাই করে তা আবৃত্তি করে।
একই সাথে তরুণ ছাত্রছাত্রী এবং যুবসমাজের বিশাল অংশকে সমৃদ্ধ করে সমাজ ও দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে নিয়ে যেতে সংনমন বদ্ধপরিকর।
ছন্দের ঝংকারে অবারিত হোক বাকস্বাধীনতা।
আওয়াজ বাংলাদেশ (ইংরেজী শিক্ষার গ্রুপ)
আমাদের পেরেন্টস সংগঠন BINI 'র অন্যতম কাজ গবেষনা, প্রকাশনা ও দক্ষতার উন্নয়ন। জনগনের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনির সিস্টার কনর্সান হিসেবে "আওয়াজ বাংলাদেশ" অসংগঠন কাজ করছে।
১. রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার র্পযন্ত প্রতিদিন ২০ টি করে ইংরেজী শর্ব্দাথ শিখার মোটিভেশন চালানো হয়। সপ্তাহে ১০০ টি বছরে ৫০০০ শব্দ টার্গেট করে আওয়াজ বাংলাদেশ কাজ করে।
২. ইংরেজীতে কথা বলতে ফ্লুয়েন্ট হওয়ার জন্য প্রতি শনিবার একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ইংরেজিতে বক্তব্য দেয়ার প্রোগ্রাম করা হয়।
৩. লিসেনিং ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধির জন্য সপ্তাহে ১টি সুস্থ ধারার ইংরেজি ছবি দেখার মোটিভেশন চালানো হয়।
৪. পাশাপাশি ফ্রি বেসিক ইংরেজি গ্রামার ক্লাস করানো হয়।
সবার সহযোগিতা পেলে ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে এটাকে আমরা ঢাকা ও র্পযায়ক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে দিতে চাই।
আমরা আমাদের এই কাজে আপনাদের দোয়া,সক্রিয় সমর্থন, সহযোগিতা কামনা করছি।
সহায় টেকনিক্যাল স্কুল (সুবিধা বঞ্চিত)
সহায় টেকনিক্যাল স্কুল সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমে বলতে হয় এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী স্কুল। বিনির তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এই স্কুলটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করছে। এখানে সুবিধাবঞ্চিত শিশু, কিশোর ও যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্বনির্ভর হতে সহায়তা প্রদান করা হয়।
বিনির একটি সংগঠন হিসেবে সহায় টেকনিক্যাল স্কুল মনে করে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়ন প্রয়োজন। তাই সমাজ পরিবর্তনের জন্য সমাজের হতদরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন আবশ্যক। সহায় টেকনিক্যাল স্কুল এসব মানুষদের ব্যতিক্রমধর্মী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিনির তত্ত্বাবধানে বেশকিছু উদ্যমী মানুষের উদ্যোগে ২০২০ এর শুরুতে মুগদার মাণ্ডা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে এ স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। সহায় টেকনিক্যাল স্কুলে সম্পূর্ন বিনা বেতনে ব্যতিক্রমধর্মী কারিগরি শিক্ষা দেয়া হয়। এই স্কুলের পাঠ্যক্রম এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রশিক্ষণার্থীরা খুব সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে শিক্ষা লাভ করে নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। সহায়ের পাঠক্রমকে পাঁচটি লেভেলে ভাগ করা হয়েছে।
সে পাঁচটি স্তর হলোঃ
প্রাইমারী লেভেল ,সেকেন্ডারি লেভেল,ম্যাচিউড লেভেল,আউটডোর লেভেল,হাই লেভেল।এখন অবধি সহায় টেকনিক্যাল স্কুলের কার্যক্রম বিনি, স্কুল উদ্যোক্তা, ও কিছু স্বহৃদয়বান ব্যক্তির অনুদানে পরিচালিত হচ্ছে।
খেদমত অন্টরপ্রিনারশীপ এন্ড ই-কমার্স প্লাটফর্ম (কীপ)।
ইতিহাসের সাথে তারুন্যের উন্নাদনার যোগসুত্র রয়েছে। বিনি আমাদের তারুন্য চর্চার আঙ্গিনা।
আমাদের সংগঠন BINI এর আওতাভুক্ত একটি সংগঠন হচ্ছে খেদমত অন্টরপ্রিনারশীপ এন্ড ই-কমার্স প্লাটফর্ম (কীপ)।
খেদমত মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সঠিক, ভেজালমুক্ত, বিষমুক্ত পণ্য ক্রয়/বিক্রয় এর জন্য। নিজে ও চারপাশের মানুষকে ক্রয়/বিক্রয়ের মাধ্যমে ভালো পণ্য সরবরাহ করে সহযোগিতা করা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে যারা উদ্যোক্তা হিসেবে আছেন তাদের আর্থিক দিক থেকে উদ্বুদ্ধ করা ও তাদেরকে তাদের কাজের প্রতি আরো আগ্রহী করে তোলা। সঠিক পণ্য যারা পেতে চায় ও খেতে চায় এবং যারা উৎপাদন ও বিক্রয় করছে তাদের মধ্যে এই সংগঠনটি একটি শক্ত সেতু বন্ধন তৈরী করছে এবং করবে ইনশাআল্লাহ।
এই সংগঠনের মাধ্যমে সকল ধরনের বৈধ ও খাঁটি পণ্য পাবার সুযোগ রয়েছে এবং ক্রেতারাও যেনো তাদের চাহিদা অনুযায়ী সূলভ মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারেন সেটার সুযোগও এখানে রয়েছে।সম্প্রতি ইখেদমতের সাথে কীপ গ্রুপ যৌথ কাজ করবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গো-বিজনেস-গো এর আওতায় মডার্ন খেদমত বাজার শোরুম করার পরিকল্পনাও রয়েছে। খেদমত গ্রুপ চেষ্টা করছে ফুড ল্যাব প্রতিষ্ঠায় সহায়তা দিতে।
সাথে থাকুন, নিরাপদ পণ্য সংগ্রহ করে খান ও সুস্থ থাকুন।
ব্লাড রিলেশান বাংলাদেশ
‘Blood Relation Bangladesh’
আমাদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে ‘Blood Relation Bangladesh’।
জনকল্যাণে রক্তদান প্রক্রিয়াকে আরো সহজ ও দ্রুততর করতে আমরা কাজ করছি। এ লক্ষ্যে আমরা Blood Relation নামক একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের কাজ করছি।
Blood Relation Bangladesh website বাংলাদেশের অন্যতম ইউনিক ফিচারের ওয়েবসাইট হবে। আমাদের ওয়েবের অনেক ফিচার বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্লাডব্যাংক ওয়েবসাইটে আগে কখনো ব্যবহৃত হয়নি। জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজনে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই রোগীর নিকটবর্তী এলাকার রক্তদাতাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব। একই সাথে পাওয়া যাবে ডোনারের মোবাইল নম্বর ও ইমেইল এড্রেস। খুব সহজেই বিভিন্ন সংগঠক, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান এ ওয়েবসাইট থেকে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই সেবা নিতে পারবে।
Blood Relation সংগঠনটি দেশের প্রায় সব ডোনারকে ও সব রক্ত দাতা সংগঠনকে এক প্লাটফর্মে এনে দাঁড় করানোর চেষ্টা করবে।
২০২১ সালের মধ্যে সংগঠনের ডাটাবেজে সারা বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ রক্তদাতা অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে ব্লাড রিলেশান বাংলাদেশ।
ম্যারিজ এইড: ম্যাট্রিমনি বিয়েশাদী গ্রুপ
আজকে একটি ভিন্নধরনের সংগঠনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব।বিয়ে শাদীতে সংগঠিত করার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ২৬ মে ম্যাট্রিমনি বিয়েশাদী গ্রুপটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে বিশ্বস্ততা তৈরীর চেষ্টার মাধ্যমে বায়োডাটা ব্যাংক তৈরীর উদ্যেগ শুরু হয়। একসময় বায়োডাটা ব্যাংক দাড়িয়ে যায়। শুরু হয় ম্যাচ মেকিং।এখন প্রতিদিনই বায়োডাটা আসে। অভিভাবক থেকে নক আসে। র্পযায় ক্রমে ভলান্টিয়ারও এড করা হয়। ভালই চলছে ম্যাট্রিমনি। একটা ওয়েবসাইট আমাদের কাজে আরো হেল্প করবে।
পথ পরিক্রমায় সব সংগঠন ও গ্রুপ একদিন অনেক বড় প্লাটফরম হবে এই আশা রাখি, এই স্বপ্ন রাখি। আরো বৃহত্তর পরিসরে মানব হিতৈষী, ভালবাসাময় কল্যানকর কাজ চলবে। এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে ম্যারিজ এইড কার্যক্রম।
ইন্টার ফেইথ ইয়থ ডায়ালগ
মানুষ সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং জন্ম গ্রহণের পরেই সে কিছু কালচারের সাথে পরিচিতি লাভ করে। স্থানীয় কালচার এবং ধর্মীয় কালচার সাথে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং মননশীলতার মধ্য দিয়ে সংগঠকের ও জনগণের মানসিক বিকাশ সাধন হয়।
কিন্তু অনেক সময় একটা কালচারের সাথে অন্য একটা কালচারের দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে।
# এই দ্বন্দ থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য মানুষের দরকার যথার্থ জ্ঞান আহরণ এবং নৈতিক শিক্ষা।
# প্রত্যেকটা কালচার এর মধ্যে নেগেটিভ এবং পজিটিভ দুইটা দিক থাকতে পারে। তবে সেই কালচারের পজেটিভ দিকটা আমাদের খুঁজে বের করে আনতে হবে এবং এটার পরিচয়কে ফোকাসড ঘটাতে হবে সবার সাথে।
# কোনভাবেই ধর্মীয় মতাদর্শের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরী করা যাবে না।
# পজিটিভ সামাজিক সংগঠনের মধ্যে মতবিরোধ তৈরী করা যাবে না।
# সামাজিক ভাবে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা যাবেনা।
# অন্য কোন সংগঠনের কোনো মতাদর্শের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরী হলে তাকে পরোক্ষভাবে না করা যেতে পারে।
# সামাজিক প্রভাব বুঝে কাজ করতে হবে।
# সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
# মঅননশীলতার জায়গায় নিজেকে কঠোর নিয়ন্ত্রণ সাধন করতে হবে।
এই লক্ষ্যে ইন্টার ফেইথ ডায়ালগ তথা আন্ত:বিশ্বাস সংলাপ সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, কালচারাল ডাইভারসিটি, প্লুরালিজম চিন্তা ও কাজের মূল লাইনআপ মনে করে নিয়েছে।
আপাতত সংগঠনটি চর্তুমাসিক indoor সেমিনারে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
সাম্প্রদায়িক ঘটনার নিজস্ত তদন্ত, মামলার র্পযবেক্ষন করারও ইচ্ছা আছে।
ছাত্র ভয়েজ
এমূহর্তে দেশে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা তারুণ্যের উর্ধ্বগতি চলছে।দেশে প্রায় ৫২% এর মতো তরুন ও যুবক গোষ্ঠী রয়েছে যারা সুস্থ ও কর্মঠ। পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই এমন একটি সময় তার জন্ম হতে একবার কিংবা দুবার আসে।
সেই সময়টি আমাদের এখন বহমান। এখনই সময় আমাদের এই দেশকে আমরা কোথায় দেখতে চাই, কিভাবে দেখতে চাই তার র্কমপরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ।
এরই লক্ষ্যে
আমরা ক্যাম্পাসে
১. দেশ ও ক্যাম্পাসের কনটেমপোরেরী ইস্যুতে সমন্নয়কের ভূমিকায় কাজ করছি।
২. কবিতা ও বাংলা উচ্চারনের সংগঠন এর শাখা গঠনের মাধ্যমে কাজ করছি। এক্ষেত্রে সংনমন আমাদের ভাল সহায়তা দিচ্ছে।
৩. শির্ক্ষাথীদের ইংরেজী শিক্ষায় আরো এগিয়ে নিতে প্রতিটি বড় ক্যাম্পাসে আওয়াজ বাংলাদেশের শাখা করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
৪. ক্যাম্পাসে পরিবেশ বিষয়ক কাজ করার জন্য বাংলাদেশ পরিবেশবাদী বন্ধু গ্রুপকে কাজে লাগানো যায়।
৫. বিনি'র পাঠআড্ডা (বই পড়া) ও দৃষ্টিচক্রকে (ডিবেট) ক্যাম্পাস র্পযন্ত সম্প্রসারন করা যেতে পারে।
৬. বিনির সিস্টার কনর্সান ব্লাড রিলেশন বাংলাদেশকে ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে।
৭. ক্যাম্পাসে স্টাডি গ্রুপ করা যেতে পারে।
৮. ক্যাম্পসে নারী উচ্চারন ও উইমেন ফ্রন্টের শাখার মাধ্যমে কাজ করা যেতে পারে।
৯. মধ্যবিত্ত, নিম্মমধ্যবিত্ত, নিম্মবিত্তকে র্টাগেট করে র্ভতুকি দিয়ে ডরমিটরী বা ছাত্রাবাস তৈরী করা যেতে পারে।
১০. গনিত গ্রুপ ও সায়েন্স গ্রুপ করেও ক্যাম্পাস কাজকে আমরা জোর দার করতে পারি।
উপরোক্ত কাজ গুলোর খুবই অল্প শুরু হয়েছে।
অর্থনৈতিক স্বল্পতা কাজের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বড় বাধা।
উপরে যা কিছু বললাম এসবই আপনাদের সাহায্য ও পরামর্শের মাধ্যমে আমাদের এই তরুন প্লাটফর্মের মাধ্যমে গড়া সম্ভব। আপনাদের কোন আইডিয়া থাকলে তা বিনিকে জানালে বা এই প্লাটফর্মে জানালে আমরা তা ছড়িয়ে দিতে পারবো। স্বপ্ন আমাদের উজ্জ্বল, পরিচ্ছন্ন, কর্মঠ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার।
সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ (উদ্যোগ বিডি ডট ওআরজি)
বিনির সিস্টার কনর্সাণ সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ।
সংক্ষেপে: উদ্যোগ।
এটি মূলত পেশাজীবীদের সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
আপনারা জানেন আজ পেশাজীবী সংগঠনগুলো নিজেদের পেশার র্স্বাথ রক্ষা না করে রাজনৈতিক র্দুবৃত্তায়নের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে।
তাই আমরা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ব্যাংকার লয়ার, এইচআর প্রফেশনাল, চার্টাড একাউন্টেন্ট, কস্ট ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট, চার্টাড সেক্রেটারী, আইটি প্রফেশনাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষকদের সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।
পরিকল্পনা অনেক। অর্জন কম হলেও আশানুরুপ।
অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়লে এই ফিল্ডে আরো বেশী কাজ করা যাবে।
মূলত পেশাজীবীরাই দেশ চালায়। এরাই দেশের মূল মেশিনারীজ।
উদ্যোগ পেশাজীবীদের সংগঠিত
করার কাজ অব্যাহত
রাখবে।
ফেইস অনলাইন কমিউনিটি হসপিটাল / ফেইস কমিউনিটি হসপিটাল
ফেইস অনলাইন হসপিটাল:
আপনারা সবাই জানেন ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ করোনা আঘাত হানার পর দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে।
এহেন পরিস্থিতিতে আমরা কিছু ডাক্তার মিলে সিদ্ধান্ত নিই করোনায় ঘর বন্দী মানুষকে আমরা মোবাইলের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিব। তখন থেকে আমরা কয়েকজন মিলে একটা ডক্টরপুল তৈরী করার চেষ্টা করি এবং আমরা এখানে মেডিকেল স্টুডেন্ট থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। এদের মাধ্যমে আমরা ২৪ ঘন্টা মোবাইলের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছি। করোনার লকডাউন কবলে পরা মাস গুলোতে প্রায় ৫০০ জন মানুষ আমাদের কাছ থেকে মোবাইলের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে । যারা আমাদের সাথে কাজ করছেন তারা সম্পূর্ণ ফ্রিতে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজসেবার নিমিত্তে করছেন।
এই সার্ভিস কে আরো সুসংবদ্ধ এবং সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য আমি কতগুলো কর্ম পরিকল্পনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।
- আমাদের সার্ভিসটি অ্যাপের মাধ্যমে প্রোভাইড করা।
- অ্যাপের মাধ্যমে প্রোভাইড করলে সাধারণ চিকিৎসা এবং বিশেষ চিকিৎসা আলাদা আলাদা ভাবে প্রদান করা।
- যারা অল্প সামান্য সর্দি কাশি ঠান্ডা লাগায় বা অন্য সাধারণ সমস্যায় ভুগছেন তারা সাধারন চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারের সাহায্য নিতে পারবেন এবং যারা বিশেষ চিকিৎসা নিতে চান তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন।
- আমাদের ডক্টর পুলকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্য আরো এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংযুক্ত করার চিন্তা রয়েছে।
- আমাদের অনলাইন সার্ভিসকে সেল্ফ সাস্টেইনিং করার জন্য কিছু ম্যানেজমেন্ট রিলেটেড মানুষ যুক্ত করাও হয়েছে।
ফেইস কমিউনিটি হাসপাতালঃ
ঢাকা শহরের মধ্যে থানা ভিত্তিক বা জোন ভিত্তিক একটা করে FACE কমিউনিটি হাসপাতাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে এমবিবিএস ডাক্তারের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষকে সাধারণ সার্ভিস দেয়া এবং প্রোপার রেফারেল সিস্টেম তৈরী করা হবে। অনেকগুলো মডেল আমাদের সামনে আছে। যেমন সুর্যের হাসি ক্লিনিক, সবুজ ছাতা ক্লিনিক, মেরি স্টোপস। আমরা এগুলো এনালাইসিস করে একটা সুন্দর মডেল নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে পারব বলে দৃঢ় প্রত্যয় রয়েছে।
উইমেন ফ্রন্ট:
নারী ও শিশুদের নিয়ে কাজ করার জন্য বিনির কিছু সংগঠক ‘উইমেন্ট ফ্রন্ট’ ব্যানারে কাজ করছেন। নিজের ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজের প্রতিও দায়িত্ব রয়েছে নারীদের।তাই সামাজিক কাজে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো ও আরও অবদান রাখার সুযোগ দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
এই লক্ষ্যে উইমেন ফ্রন্ট যে বিষয়গুলিকে মোটিভশন ও কাজের ক্ষেত্র হিসেবে নির্ধারন করেছে তা হচ্ছে:
• নারী স্বাস্থ্য ও মাতৃস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
• সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতার মাধ্যমে নারীর বিপক্ষে আইন ও ধর্মের অপব্যবহার রোধ।
• চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট,চাইল্ড সাইকোলজি নিয়ে মোটিভেশন।
• পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন।
• কর্মক্ষেত্র, সামাজিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন পরিবেশে বিপরীত লিঙ্গের সাথে আচরণ সর্ম্পকিত গাইডলাইন।
• দলগত আচরন,হেটারোজিনিয়াস ফ্যামিলি বিহেভিওর নিয়ে খোলামেলা আলোচনার আয়োজন।
• নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা।
প্রজেক্টের মধ্যে
o দুস্থ মহিলাদের জন্য ফ্রি টেইলরিং ও নকশী কাঁথা সেলাই প্রশিক্ষনের আয়োজন করা।
o নারীদের জন্য জিম বা ব্যায়ামাগার করার পরিকল্পনা নিয়েও কাজ করছে উইমেন ফ্রন্ট।
চেম্বার ফর সোশ্যাল এন্ড কালচারাল অরগেনাইজেশন (সিএসসিওবিডি)
যুবকরাই গড়বে দেশ। প্রচলিত রাজনীতি বাইরে তরুন শক্তি বিভিন্ন নামে সামাজিক কাজ করে বাংলাদেশের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। বস্তুত সামাজিক ক্লাব গুলোর চেম্বার তৈরীর জন্য চেম্বার ফর সোশ্যাল এন্ড কালচারাল অরগেনাইজেশন (সিএসসিওবিডি) কাজ করছে।
বাংলাদেশ পরিবেশবাদী বন্ধু গ্রুপ
বাংলাদেশ থেকে শুরু করে আমি বা আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকিনা কেনো পরিবেশের গুরুত্ব আমরা সকলেই জানি।আমাদের অসচেতনতা ও অনেকের লোভী মানসিকতা পরিবেশকে দূষিত করে ফেলছে।এমতাবস্থায় আমরা যদি দূষণ রোধে এগিয়ে না আসি এবং কোনো শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করি তাহলে আমাদের এবং পৃথিবীর অস্তিত্ব বিপন্ন হতে খুব বেশি সময়ের আর প্রয়োজন পড়বে না।
কোভিড-১৯ এর লক ডাউন এই সময় দূষণ কম থাকায় অনেক বিপন্ন প্রাণী পরিবেশে ফিরে আসতে দেখা যাচ্ছে।অর্থাৎ এখনও যদি আমরা এই দূষণ রোধ করতে পারি তবে সুস্থ-সুন্দর একটি পরিবেশ ফিরে পাওয়া সম্ভব।
"বাংলাদেশ পরিবেশবাদী বন্ধু গ্রুপ" কাজ করছে পরিবেশের জন্য।পরিবেশ দূষণ রোধের এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমরা কাজ শুরু করবো দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো থেকে। দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের উপর নির্ভরশীল। তাই সচেতনতা ও কার্যক্রম শুরু করার জন্য এই প্লাটফর্মটি সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করছি।
★এই টিমটি ক্যাম্পাসের একটা নির্দিষ্ট অংশ পরিষ্কার করবে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট সময়ে।
★সংগঠনের লোগো সহ ক্যাম্পাসে ডাস্টবিন প্রোভাইড করা হবে।
★যখন টিমটি ক্যাম্পাস পরিষ্কার করবে তখন তারা সংগঠনের লোগোসহ টিশার্ট পরে কাজ করবে।এতে করে কাজটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।
★ক্যাম্পাসগুলো দেশের মধ্যমণির মতন।সকল ক্যাম্পাসে একত্রে যখন এমন কার্যক্রম হবে তখন তা সকলের আগ্রহের বস্তুতে পরিণত হবে এবং সচেতনা বাড়বে।
★কার্যক্রম বড় হওয়ার সাথে সাথে পাবলিক গ্রুপ তৈরি করা হবে।দেশের যে অংশে পরিবেশ নিয়ে সমস্যা হবে তা আমরা গ্রুপের মাধ্যমে জানবো এবং সমাধানের চেষ্টা করবো।
ডরমিটরী - সাফিশিয়েন্ট আবাসন
সাফিশিয়েন্ট আবাসন প্রকল্প
কাজ করছে ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মজীবি মহিলা ও পুরুষদের জন্য ডরমিটরী নিয়ে।
মধ্যবিত্ত সমাজের মানুুষ যারা আছেন ঢাকা এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে তাদের আয়ের বড় একটা অংশ ব্যয় হয় বাড়ি ভাড়া মিটানোর জন্য। তাই আমরা ঊদ্যোগ নিয়েছি, মধ্যবিত্তের ইনকামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ি ভাড়ার মতই মাসিক কিস্তির ভিত্তিতে একটা নির্দিষ্ট মেয়াদে তাদেরকে বাড়ির মালিক বানানোর।প্রথমে ঢাকা শহর এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগীয় এবং মেগা শহরগুলোতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে বলে স্বপ্ন দেখে সাফিশিয়েন্ট।
ডরমিটরী
আমাদের দেশের শুধুমাত্র পাব্লিক ইউনিভার্সিটি এবং কিছু মাত্র সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস রয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়াও বেসরকারি কলেজ –ভার্সিটি এবং কর্মজীবি মানুষ যারা ঢাকা সহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরগুলোতে রয়েছেন তাদের আবাসন, ভেজালহীন খাওয়া এবং উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হন। অনেক মেধাবী ঝরে যায়, খারাপ পরিবেশে প্রতিভা ধ্বংস হয় ও নিজেদের প্রতিভা বিকাশ করতে ব্যর্থ হন উপযুক্ত ও সুন্দর থাকার পরিবেশ না থাপাওয়ার কারনে।
সেজন্য আমাদের সামাজিক উদ্যোগ বিনি'র একটা প্লান এসব ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মজীবিদের জন্য ডরমিটরি তৈরী
করা নিয়ে যা হবে আন্তর্জাতিক মানের, সুশৃংখল পরিবেশ, নিয়মতান্ত্রিক ও নৈতিকতা চর্চার মাধ্যমে তারা যেন উপযুক্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে এবং ভালো চরিত্রের অধিকারী হতে পারে।
এসকল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক কিছু ফান্ড দরকার, ছাত্রছাত্রীদের ডরমিটরী হবে র্ভতুকি র্নিভর। র্কমজীবীদের ডরমিটরী পর্যায়ক্রমে নো-লস প্রফিট ভিত্তিতে আমরা পরিচালনার মাধ্যমে খরচ যোগাড় করতে পারবো বলে দৃঢ় বিশ্বাস রাখি।
বিনি স্পোটর্স একাডেমী
খেলা আর কথা এ দুয়ের সমন্নয়ে শিশুর জীবন। তাই বিনি স্পোটর্স একাডেমী শিশু কেশোর তরুনদের নিয়ে খেলাধুলা বিকাশে কাজ করছে।
হাসপাতাল, ফুড ল্যাব, অনলাইন মিডিয়া
বিনি সম্প্রতি ফেইস সেন্ট্রাল হাসপাতাল,বেসকারী ফুড ল্যাব ও অনলাইন মিডিয়া নিয়ে প্রজেক্ট করার চেষ্টা করছে।
বিনি প্রকাশন
আমরা সবাই জানি মানুষের মন-মনন আর জ্ঞানের বিকাশে বই তথা প্রকাশনা হলো প্রধান উপাদান। আর সমাজ পরিবর্তন আর বির্নিমানের মতো কাজে প্রকাশনা আরো বেশী গুরুত্বপূর্ন। আপনারা হয়ত ধারনা করতে পারেন,সমাজ পরিবর্তনের জন্য আমাদের নতুন ধারনপত্রগুলো সুলিখিত করা মোটেই সহজসাধ্য কাজ নয়। বিশেষ করে নতুন এই ধারনপত্রগুলোর সুলেখক খুঁজে বের করা এবং এগুলো পান্ডুলিপি থেকে বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করা একটু কঠিনই বটে।
তারপরও আমরা ঘুনে ধরা এ সমাজ বির্নিমানের মানসে লেখক তৈরীর চেষ্টার পাশাপাশি তাদের লেখাগুলো প্রকাশ করার উদ্যেগ অব্যাহত রেখেছি।
বিনি প্রকাশন বিভিন্ন সময় বিনির মিটিংগুলোর সারসংক্ষেপের ভিত্তিতে কিছু ছোট বই প্রকাশ করছে যেগুলো হতে পাঠকগন সহজে আমাদের কার্যপ্রনালীগুলো জানতে পারছেন।
ভবিষ্যতে আমরা আমাদের সুধী এবং শুভাকাংখীদের মাঝে যারা যারা লেখক তাদের বই বিনি প্রকাশন হতে বের করার উদ্যেগ নিবো।
পুঁথিগত প্রকাশনার পাশাপাশি বিনি প্রকাশন’র পক্ষ হতে ডিজিটাল সময়ের কথা বিবেচনা করে আমরা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিডিওগ্রাফী নির্মান করছি যাতে বই পড়তে যারা সময় পাচ্ছেন না তাদের সহায়তা হয় এবং যাতে লক্ষ কোটি দর্শকদের নিকট সহজে পৌছানো যায়।
ডিজিটাল ব্যানার, লিফলেট, পোস্টার কিছু হয়েছে যা অব্যাহত থাকবে।
পরিশিষ্ট:
প্রস্তাবিত পুরো কমিটি:
ফিরে দেখা বিনি
Comments
Post a Comment