বিনি'র সংবিধান (প্রথম সংস্করণ)
২০১৪ থেকে ২০২০ কাজ করে ও কাজের অভিজ্ঞতাকে ধারণ করে বিনি'র প্রথম সংবিধান সবার অসংখ্য পরার্মশকে ধীরে ধীরে নোট করে প্রস্তাব আকারে তুলে ধরা হল। ৩০ অক্টোবর ২০২০ সালে এটি উপস্থাপিত হয়ে ৫ র্মাচ ২০২১ সালে এটি বিনি তার নিজের আইন আকারে গ্রহন করবে।
Constitution of BINI
=====================
Proposed Prospectus for Bangladesh Institute of New Initiative
ইংরেজীতে সংক্ষেপে BINI
বাংলায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউ ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত হবে।
এর
সংঘ স্মারক
এবং
গঠনতন্ত্র
সংগঠনের নাম:
বাংলা নাম: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউ ইনিশিয়েটিভ।ঢাকা।
ইংরেজী নাম: Bangladesh Institute of New Initiative, Dhaka
সংগঠনের ঠিকানা:
২৩/৩-এ, তোপখানা রোড (৫ম তলা), প্রেসক্লাবের বিপরীতে।(হোটেল সম্রাটের পাশে)। ঢাকা-১০০০
র্কম এলাকা: ঢাকা।
আর্দশ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
এটি একটি অরাজনৈতিক, সামাজিক বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের বিশ্বময় ঘোষনা এবং মানবাধিকার নীতি অনুসরন করে চলবে।
মূখ্য লক্ষ্য:
সংস্থার মূখ্য লক্ষ্য হবে সরকারের নীতিমালা ও আইনী কাঠামোর আওতায় গবেষনা, প্রকাশনা ও দক্ষতা উন্নয়নের কাজ করা। কমতি (Gap) ও প্রয়োজন (Need) বিবেচনায় রেখে মানব সভ্যতা তৈরীতে অবদান রাখার নিমিত্তে পরিপূরক (Complementary) পদ্ধতির দিকে মনোযোগ আর্কষন করে উদ্যেক্তা (Initiator) তৈরীতে কাজ করে যাওয়া।
মূখ্য লক্ষ্য, আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে কোন কর্মসূচী সরকার, সংশ্লিষ্ট র্কতৃপক্ষ, র্অথায়নকারী সংস্থা, উপযুক্ত র্কতৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।আইন,নিয়ম নীতি অনুসরনের পাশাপাশি প্রচলিত সদ অভ্যাসকে (Good practice) অনুসরনযোগ্য ধরা হবে।
সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে:
বিনি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হল গবেষনা, প্রকাশনা ও ডেভেলপমেন্টের জন্য কাজ করা।
ডেভেলপমেন্ট ইথিকস ও বৈষয়িক দুটির সমন্নয়ে হবে।
সংগঠনের অরগানোগ্রাম :
ফাউন্ডার মেম্বার,উপদেষ্টা পরিষদ,এক্সিকিউটিভ কমিটি,জেনারেল কমিটি, ইনিশিয়েটর, ফ্যাকাল্টি।
সকল কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে বিনি রেজুলেশনের মাধ্যমে কমিটির মেয়াদ কমবেশী করতে পারে।
ফাউন্ডার মেম্বার:
প্রতিষ্ঠাকালীন কিছু সদস্য এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেন।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যরা ও এক্সিকিউটিভ কমিটি মিলে সংগঠনের উপদেষ্টা, রির্সাচ ফ্যাকাল্টি নিয়োগ দিবেন।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যরা নিজেরা পাঠ আড্ডায় সম্পৃক্ত থেকে আগ্রহী, এসোসিয়েট মেম্বার, সাটিফাইড মেম্বার, আইকেপিটিএস এবং আইকেপিটিএস+ সাটিফিকেট অর্জন করবেন।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যরা আগ্রহী, ডিপ্লোমা এসোসিয়েট মেম্বার, মেম্বার, আইকেপিটিএস এবং আইকেপিটিএস+ ক্যাটাগরীতে না আসতে চাইলে তারা সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদে থাকবেন।
ফাউন্ডার মেম্বার ও আইকেপিটিএস এবং আইকেপিটিএস+ সাটিফিকেটধারীদের কাউকে কাউকে নিয়ে ফাউন্ডার মেম্বারগন বিনির এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করবেন।
সাটিফিকেটধারী পাওয়া না গেলে বিশেষ ব্যবস্থা র্কাযকর থাকবে।
ফাউন্ডার মেম্বারগন বাৎসরিক একটি চাঁদা বিনির ফান্ডে ডোনেট করবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ:
সমাজের প্রাজ্ঞসর মানুষদের মধ্যে যারা বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটির পছন্দ তারা উপদেষ্টা হিসেবে অফার পেয়ে নিয়োগ হবেন।
উপদেষ্টা দু ধরনের। ঘোষিত। অঘোষিত। উপদেষ্টা হিসেবে তালিকাভূক্ত ব্যক্তি ছাড়াও অভিজ্ঞদের থেকে বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটি উপদেশ নিতে পারবে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপদেষ্টা না করার দৃষ্টিভঙ্গী বলবৎ থাকবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি:
প্রতি চার মাস পরপর বা প্রয়োজন হলে যত সংখ্যক ইচ্ছা তত সংখ্যক অঙ্গ সংঠনের প্রতিনিধি নিয়ে প্রতিনিধি বৈঠক এর আয়োজন করবেন।
প্রতি দু বছর পরপর বিনি দ্বির্বাষিক সম্মেলনের আয়োজন করবে।
দ্বির্বাষিক সম্মেলনে ক্রোড়পত্র ও রির্পোট পেশ করবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি ফ্যাকাল্টি মিটিংয়ের আয়োজন করবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি বছরে ১ বা ২ বার উপদেষ্টা প্রোগ্রাম আয়োজন করবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি সমমনা বিভিন্ন সংগঠনের প্রোগ্রামে পাঠআড্ডা নিশ্চিত করবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি পাঠআড্ডার রুটিন ও বিষয় র্নিধারন করবেন ফ্যাকাল্টিদের সহযোগিতা নিয়ে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি নিজেরা দ্বিমাসিক পাঠআড্ডায় মিলিত হয়ে নিজেদের মানউন্নয়ন করবে ও সংগঠন পরিচালনা করবে।
সংগঠনের কাজে শিথিলতা হলে ৭০% এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বারের সর্মথনে সদস্য যোগ ও বিয়োগ হবে।
বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটি তার সমমনা সংগঠনগুলোর গঠনতন্ত্র ও কমিটি অনুমোদন দিবে।
কাজের প্রয়োজনে জনসম্পদের ক্যাটাগরাইজেশনের বাইরেও বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটি ফাউন্ডার মেম্বার পরিষদের সম্মতিতে ডিরেক্টর নিয়োগ দিতে পারবে।
ফাউন্ডারগণকে অবহিত করেই বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটি কাজ করবেন।
বিশেষ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে আপাতত জেনারেল কমিটির প্রোগ্রামে নিয়মিত অংশগ্রহনকারী অংশ এক্সিকিউটিভ কমিটির কাজ করবেন।
জেনারেল কমিটি:
জেনারেল কমিটি সারাদেশ ও বিদেশে অবস্থানরত প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত হবে। জেনারেল কমিটি বিনির ফান্ড গঠনে বিশেষ গুরুত্ব দিবেন।
ইনিশিয়েটর:
ইনিশেয়েটরগণ বিনির স্বাভাবিক ফরমেটে কাজ না করেও বিনির সাথে যুক্ত থাকতে পারবেন।
ফ্যাকাল্টি:
ফ্যাকাল্টি দু ধরনের হতে পারে। ১. স্থায়ী ২, অস্থায়ী (খন্ডকালীন)
স্থায়ী ফ্যাকাল্টিদের নিয়ে চর্তুমাসিক বা ত্রৈমাসিক প্রোগ্রাম করা হবে।
অস্থায়ী ফ্যাকাল্টিদের নিয়ে বছরে একটি গেটটুগেদারের চেষ্টা করা যেতে পারে।
মূলত গবেষকদের নিয়ে বিনি কমিটির অনুমোদন নিয়ে ফ্যাকাল্টি সংযুক্তি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ফ্যাকাল্টিদের কাছে অফার লেটার পাঠিয়ে ফ্যাকাল্টিদের অনুমোদন নিতে হবে। ফ্যাকাল্টিগণ বিনির প্রকাশনা, গবেষনা, উন্নয়ন, পলিসি মেকিং ও পরিকল্পনাতে অবদান রাখার চেষ্টা করবেন। ফ্যাকাল্টিরা ডোনেট করলে সেটি অবশ্যই উৎসাহব্যঞ্জক। কোন স্তরেই ফান্ড দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। রির্সাচ ফ্যাকাল্টিদের ত্রৈমাসিক বা চর্তুমাসিক সেমিনার সিম্পোজিয়াম দৃষ্টিচক্র নামে অভিহিত হবে।
বিনির জনসম্পদ ও কোর্সসমূহ:
আগ্রহী, ডিপ্লোমা এসোসিয়েট মেম্বার, সাটিফাইড মেম্বার, আইকেপিটিএস এবং আইকেপিটিএস+
আগ্রহী: সামাজিক আন্দোলনে উৎসাহীদেরকে "আগ্রহী" জনসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
আগ্রহী জনসম্পদ সামাজিক আন্দোলনের একটি প্রাথমিক নোট মুখস্থ করবেন।
একটি র্নিদিষ্ট রিডিং লিস্ট শেষ করার চেষ্টা করবেন।
ডিপ্লোমা এসোসিয়েট মেম্বার:
আগ্রহী জনসম্পদরা পড়ালেখা, গুন ও কাজের একটা র্নিদিষ্ট র্শত পূরন করলে তাদেরকে
ডিপ্লোমা এসোশিয়েট মেম্বার অব বিনি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
একটি র্নিদিষ্ট রিডিং লিস্ট শেষ করার চেষ্টা করবেন।
সাটিফাইড মেম্বার অব বিনি:
ডিপ্লোমা এসোশিয়েট মেম্বার জনসম্পদরা পড়ালেখা, গুন ও কাজের একটা র্নিদিষ্ট র্শত পূরন করলে তাদেরকে সাটিফাইড মেম্বার অব বিনি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
একটি র্নিদিষ্ট রিডিং লিস্ট শেষ করার চেষ্টা করবেন।
আইকেপিটিএস:
ক)আগ্রহী দক্ষ জনসম্পদরা সরাসরি আইকেপিটিএস হিসেবে মনোনয়ন পাবেন।
একটি র্নিদিষ্ট রিডিং লিস্ট ও কাজ শেষ করার চেষ্টা করবেন।
খ)ডিপ্লোমা এসোশিয়েট মেম্বার থেকে
যারা একটি র্নিদিষ্ট রিডিং লিস্ট ও কাজ শেষ করলে তাদেরকে আইকেপিটিএস হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
আইকেপিটিএস+:
ক)ইথিক্যাল জনসম্পদ (আইকেপিটিএস) সরকারী বা বেসরকারী দক্ষতা অর্জন প্রতিষ্ঠান থেকে সাটিফিকেট অর্জন করলে তাদেরকে আইকেপিটিএস+ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
খ) দক্ষ আইকেপিটিএস ধারীরা পড়ালেখা ও গুনের একটা র্নিদিষ্ট মান শেষ করলে আইকেপিটিএস+ হিসেবে বিবেচিত হবেন। আইকেপিটিএস+ গণ কমপক্ষে কিছু বিষয়ে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডাডের হবে।
আগ্রহী জনসম্পদ হওয়ার যোগ্যতা:
=জন্মগতভাবে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক সুস্থ, প্রাপ্তবয়ষ্ক, সমাজসেবামূলক মনোভাবী হলে এবং অত্র সংগঠনের লক্ষ্য, আর্দশ ও উদ্দেশ্যাবলীতে বিশ্বাসী হলে এ সংগঠনের আগ্রহী জনসম্পদ মান লাভ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন:
এক্সিকিউটিভ কমিটিতে
একজন চেয়ারম্যান
প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভাইস চেয়ারম্যান
একজন ডিরেক্টর জেনারেল
এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর জেনারেল
রির্সাচ ডিরেক্টর
ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর (ইথিকেল)
ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর(স্কিল)
পাবলিকেশন ডিরেক্টর
ডিরেক্টর পাবলিসিটি ও মিডিয়া
ডিরেক্টর স্পেশাল
ডিরেক্টর ফিমেল এন্ড চাইল্ড
ডিরেক্টর এডুকেশন
ডিরেক্টর কালচার ও র্স্পোটস
ডিরেক্টর ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট
ডিরেক্টর ইকোনমি
ডিরেক্টর সোশ্যাল ক্লাব
ডিরেক্টর প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট
ডিরেক্টর ইকর্মাস
ডিরেক্টর এনভায়রনমেন্ট
ডিরেক্টর ডরমিটরী
ডিরেক্টর স্বাস্থ্য
ডিরেক্টর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার (বিয়েশাদী, রক্ত)
প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডিরেক্টর মনোনীত হবেন।।
সদস্যপদ বাতিল:
+কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে। (নট টলারেবল)
+পরিচিত কোন র্ধমীয় দলের সদস্য হলে।
+অত্র সংস্থার বেতনভূক্ত পদে র্কমী হিসেবে নিয়ো্গ হলে।
+কোন সদস্য পরপর দুটি এজিএমে না আসলে বা বছরে ৫০% প্রোগ্রামে না আসলে।
+ এক্সিকিউটিভ কমিটি পরপর ৬ মাস মাসিক কিস্তি/ ডোনেশনে অংশ গ্রহন না করলে।
+সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও দেশের আইন পরিপন্থী কাজ করলে।
+ কোন সদস্য/সদস্যার মৃত্যু হলে, দেউলিয়া হলে বা মানসিক ভারসাম্য হারালে সদস্যপদ হারাবেন।
+পদত্যাগের আবেদন করলে এবং তা যথাযথ র্কতৃপক্ষ অনুমোদন করলে ।
+বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে র্সবোচ্চ আদালত র্কতৃক দোষী সাব্যস্ত হলে সদস্যপদ হাঁরাতে পারেন।
সদস্য সভার নোটিশ:
প্রত্যেক পরিচালক তার আওতাধীন গ্রুপ সদস্যদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রোগ্রাম তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন গ্রুপ রেজুলেশন/র্সাকুলেশন বইতে সাক্ষর নিবেন।
আবেদন ফরমে উল্লেখিত মোবাইলে ও ইমেইলে মেসেজ ও ইমেইল পাঠানো অফিসিয়াল দাওয়াত বলে গন্য হবে।
সকল প্রকার জনসম্পদ এর প্রোগ্রাম:
আগ্রহী, এসোসিয়েট মেম্বার, মেম্বার, আইকেপিটিএস, আইকেপিটিএস+
আগ্রহী, এসোসিয়েট মেম্বার, মেম্বার, আইকেপিটিএস, আইকেপিটিএস+দের প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রোগ্রাম আয়োজন করবে এক্সিকিউটিভ কমিটি।
উপদেষ্টাদের প্রোগ্রাম
বছরে ১/২ টি বা প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপদেষ্টা প্রোগ্রাম আয়োজন করবেন এক্সিকিউটিভ কমিটি।
ফাউন্ডারদের প্রোগ্রাম
ফাউন্ডারগন নিজেরা প্রোগ্রাম আয়োজন করবেন বা এক্সিকিউটিভ কমিটি এর সহযোগিতা নিয়ে আয়োজন করবেন।
এক্সিকিউটিভ কমিটির প্রোগ্রাম
সবচেয়ে র্কাযকরী ও সক্রিয় কমিটি এক্সিকিউটিভ কমিটি। যত সংখ্যক দরকার তত সংখ্যক প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ কমিটি আয়োজন করে বাস্তবায়ন করবেন।
ফ্যাকাল্টিদের প্রোগ্রাম
রির্সাচ দু প্রকারে হতে পারে। এনলিস্টেডদের সেমিনার সিম্পোজিয়ামে। এনলিস্টেডদের ইমেইলে লেখা সংগ্রহের মাধ্যমে।
পাঠআ্ডা ও দৃষ্টিচক্রের মাধ্যমে। ফ্যাকাল্টিদের সেমিনার ও প্রোগ্রাম দৃষ্টিচক্র হিসেবে বিবেচিত হবে।
শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রোগ্রাম
সংগঠনের প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিনিধি প্রোগ্রাম
বিভিন্ন সেক্টরে, বিভিন্ন নেটে কাজ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিনিধি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত করতে হবে।
বিভিন্ন সংগঠনের পাঠআড্ডা প্রোগ্রাম
আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সংগঠনের পাঠআড্ডা প্রোগ্রাম কন্ডাক্ট করার দায়িত্ব বিনি এক্সিকিউটিভ কমিটির।
বিনি বছরে কমপক্ষে একটি বা একাধিক প্রকাশনা বের করবে। সেটি নতুন পৃষ্ঠা বা দৃষ্টিচক্র নামে হতে পারে।
বিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট, ব্রুশিওর, বই প্রকাশ করবে।
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ও বিনির নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে বিনি দক্ষতা উন্নয়ন করবে।
র্নিবাচন পদ্ধতি:
ফাউন্ডার মেম্বার ও পুরনো এক্সিকিউটিভ কমিটির ভোটে বিনি চেয়ারম্যান র্নিবাচিত হবেন।
চেয়ারম্যান জেনারেল কমিটির সাথে কথা বলে ডিরেক্টর জেনারেল মনোনয়ন দেবেন।
চেয়ারম্যান কাজের অগ্রগতি বিবেচনায় এক্সিকিউটিভ কমিটির মধ্যে থেকে বা ফাউন্ডার মেম্বার গণের মধ্যে থেকে বা জেনারেল কমিটির মধ্যে থেকে ফাউন্ডার মেম্বার পরিষদের সাথে কথা বলে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়ন দেবেন।
বিনি চেয়ারম্যান বিনির নব র্নিবাচিত ডিরেক্টর জেনারেল, ভাইস চেয়ারম্যান, পুরনো এক্সিকিউটিভ কমিটি, ফাউন্ডার মেম্বার পরিষদের সাথে কথা বলে জেনারেল কমিটি গঠিত হবে। জেনারেল কমিটি থেকে কাজের বিবেচনায় এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠিত হবে।
এক্সিকিউটিভ কমিটি তার সকল সমমনা সংগঠনের দায়িত্ব বা পদ মনোনয়ন দেবেন।
সংবিধান সংশোধনী:
এক্সিকিউটিভ কমিটি, ফাউন্ডার মেম্বার এর ৭০ % ভোটে সংবিধান সংশোধনী হবে। অবশ্যই জেনারেল কমিটি, ফ্যাকাল্টি, উপদেষ্টাদের ও বিনির সমমনা সংগঠনের সভাপতি সেক্রেটারীর মতামত নিতে হবে।
বিবিধ:
বিনি তার সমমনা সংগঠন সমূহের গঠনতন্ত্র প্রনয়নে সহযোগিতা করবে ও সমমনা সংগঠন সমূহের সাথে চুক্তি করে নেবে যাতে সমমনা সংগঠন সমূহ বিনির পলিসি মেনে চলে।
ইনশিয়েটর গণ বিনির পলিসি অনুসরনের লিখিত প্রতিশ্রতি দিয়ে বিনির সঙ্গে থাকতে পারবেন।
বিনি রেজুলেশনের মাধ্যমে সমমনা সংগঠন সমূহকে স্বীকৃতি দিবে।
যে কোন পানিশমেন্ট ৭০% ভোটে গৃহিত হবে।
Comments
Post a Comment