Constitution of FACE
According to proposal of 5 july and 6 july 2019 Director and EC program.
Final copy
Proposed Prospectus for Financial Institution:
ইংরেজীতে সংক্ষেপে Dhaka FACE ও
বাংলায় "ঢাকার মুখ" নামে পরিচিত হবে।
এর
সংঘ স্মারক
এবং
গঠনতন্ত্র
সংগঠনের নাম:
বাংলা নাম: ফ্যামিলি এসোশিয়েসান ফর ক্যাপাবিলিটি এনহেন্সমেন্ট।ঢাকা।
ইংরেজী নাম: Family Association for Capability Enhancement (FACE), Dhaka
সংগঠনের ঠিকানা:
২৩/৩-এ, তোপখানা রোড (৫ম তলা), প্রেসক্লাবের বিপরীতে।(হোটেল সম্রাটের পাশে)। ঢাকা-১০০০
র্কম এলাকা: ঢাকা।
আর্দশ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
এটি একটি অরাজনৈতিক, লাভজনক বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের বিশ্বময় ঘোষনা এবং মানবাধিকার নীতি অনুসরন করে চলবে।
মূখ্য লক্ষ্য:
সংস্থার মূখ্য লক্ষ্য হবে সরকারের নীতিমালা ও আইনী কাঠামোর আওতায় পরিবারগুলোকে শক্তিশালীকরন, পারিবারিক সমস্যা বিমোচনে কাজ করা। কমতি(Gap) ও প্রয়োজন (Need) বিবেচনায় রেখে মানব সভ্যতা তৈরীতে অবদান রাখার নিমিত্তে পরিবারগুলোকে উৎসাহ দিয়ে পরিপূরক (Complementary) পদ্ধতির দিকে মনোযোগ আর্কষন করে পরিবার গুলো থেকে উদ্যেক্তা (Initiator) তৈরীতে কাজ করে যাওয়া।
মূখ্য লক্ষ্য, আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে কোন কর্মসূচী সরকার, সংশ্লিষ্ট র্কতৃপক্ষ, র্অথায়নকারী সংস্থা, উপযুক্ত র্কতৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।আইন,নিয়ম নীতি অনুসরনের পাশাপাশি প্রচলিত সদ অভ্যাসকে (Good practice) অনুসরনযোগ্য ধরা হবে।
সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে:
FACE- ফেইস -পরিবার ভিত্তিক অর্থনৈতিক সঞ্চয় আন্দোলন। মধ্যম মানের ও নিম্ম মধ্যম মানের সাবেক শির্ক্ষাথী, সাধারন নারী ও র্কমসংস্থানে অনিয়োজিত ত্রির্শোধ উচ্চশিক্ষিত বেকার নারী ও নিম্মবিত্তদের র্কমসংস্থান ও পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির চিন্তা করে প্রতিষ্ঠিত একটি মিশনারী মহৎ উদ্যেগ।
এই সংগঠন উৎপাদন বৃদ্ধি, দক্ষতা বৃদ্ধি (র্কমদক্ষতা ও মূল্যবোধের দক্ষতা), আপাতত নিম্মবিত্তদের র্কমসংস্থান ও মধ্যবিত্ত উচ্চশিক্ষিত নারীদের র্কমসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
সদস্য হওয়ার উপযোগিতা:
=জন্মগতভাবে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক সুস্থ, প্রাপ্তবয়ষ্ক, সমাজসেবামূলক মনোভাবী হলে এবং অত্র সংগঠনের লক্ষ্য, আর্দশ ও উদ্দেশ্যাবলীতে বিশ্বাসী হলে এ সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
= সদস্যপদ পূরনের প্রয়োজন হলে অত্র সংগঠনের র্নিদিষ্ট আবেদন ফরম পূরন করে কমপক্ষে ৬০% ডিরেক্টরের অনুমোদনের প্রমান সম্বলিত সাক্ষর দিয়ে সেই সত্যয়িত আবেদন ফরমের ফটোকপি গ্রহন করে, র্নিধারিত চাঁদা/ অনুদান প্রদান করতে সম্মত হলে সদস্য হবার যে কোন যোগ্য ব্যক্তি ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টরদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন অবশ্যই তাহা ডিরেক্টরের, এডিশনাল ডিরেক্টরের/ চেয়ারম্যানের,ভাইস চেয়ারম্যানের, সেক্রেটারী জেনারেলের মতের বিপক্ষে হইবেনা। সদস্য আবেদন ফরম চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সাক্ষরে অনুমোদিত হবে।
= সদস্যপদ বাতিল:
+কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে। (নট টলারেবল)
+পরিচিত কোন র্ধমীয় দলের সদস্য হলে।
+অত্র সংস্থার বেতনভূক্ত পদে র্কমী হিসেবে নিয়ো্গ হলে।
+কোন সদস্য পরপর দুটি এজিএমে না আসলে বা বছরে তিনটি সদস্য আড্ডায় না আসলে ।
+ পরপর ৬ মাস মাসিক কিস্তি বকেয়া থাকলে।
+সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও দেশের আইন পরিপন্থী কাজ করলে।
+ কোন সদস্য/সদস্যার মৃত্যু হলে, দেউলিয়া হলে বা মানসিক ভারসাম্য হারালে সদস্যপদ হারাবেন।
সদস্য তার মৃত্যুর পরের জন্য কাউকে পাওয়ার অব এটর্নি বা নমিনী দিলে তিনি ডিরেক্টর বডি (Director body) অনুমোদন সাপেক্ষে কাজ করতে পারবেন।
+পদত্যাগের আবেদন করলে এবং তা যথাযথ র্কতৃপক্ষ অনুমোদন করলে ।
+বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে র্সবোচ্চ আদালত র্কতৃক দোষী সাব্যস্ত হলে সদস্যপদ হাঁরাতে পারেন।
+প্রতি পরিচালকের গ্রুপ সদস্য সংখ্যা সংখ্যা পরিচালক বাদে ১৪ জন থেকে ৪৯ জনে সীমাবদ্ধ থাকবে।
সদস্য সভার নোটিশ:
প্রত্যেক পরিচালক তার আওতাধীন গ্রুপ সদস্যদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রোগ্রাম তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন গ্রুপ রেজুলেশন/র্সাকুলেশন বইতে সাক্ষর নিবেন। আবেদন ফরমে উল্লেখিত মোবাইলে ও ইমেইলে মেসেজ ও ইমেইল পাঠানো অফিসিয়াল দাওয়াত বলে গন্য হবে।
সদস্য সভা:
=গ্রুপ পরিচালকের আওতাধীন সদস্যদের নিয়ে বছরে ছয়টি সদস্য আড্ডা অনুষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হবে।
=তিন পরিবার নিয়ে পরিবার বন্ডিং গেটটুগেদারগুলো প্রতি চারমাস পরপর তার অন্য দুটি বন্ডিং পরিবারের সম্মতিতে তিন পরিবারের একটিতে বেড়ানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
=বস্তুত একজন সদস্য বছরে একবার এজিএমে অংশগ্রহন ও ব্যাংকে মাসিক র্নিধারিত টাকা জমা দেয়াকে "মূল দায়িত্ব" বিবেচনা করা হবে।
পরিচালনা পরিষদ:
= ১৫ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডেপুটি ডিরেক্টর, ৩০ জন সদস্য বৃদ্ধি করল জয়েন্ট ডিরেক্টর, ৪০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে এডিশনাল ডিরেক্টর, ৫০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডিরেক্টর হিসেবে বিবেচিত হবেন।
= র্নিবাচনে ভোট দানে, সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়া ও প্রফিট শেয়ারিংয়ে সব ধরনের পরিচালকদের সমান র্মযাদা।
=পরিচালনা পরিষদ দশ হতে বিশ জনে সীমাবদ্ধ থাকবে।
=পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেল প্রথমত ডিরেক্টরদের মধ্যে থেকে র্নিবাচিত করতে হবে। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা ডিরেক্টর পদ গ্রহনে রাজী না হলে তার পরের পদ হতে র্নিবাচন করা যাবে।
=সংগঠনের গ্রুপ পরিচালকদের নিয়ে ঢাকা ফেইসের পরিচালনা র্পষদ গঠন করা হবে।
=ধারাবাহিক তিনটি পরিচালনা পরিষদ সভায় না আসলে পরিচালক তার পরিচালকপদ হারাতে পারেন।
=ভিন্ন ঘোষনা না হলে বছরে কমপক্ষে পরিচালকদের তিনটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারনত এপ্রিল, অগাস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ২য় শুক্রবার পরিচালনা পরিষদের মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
=উপস্থিতির দুই তৃতীয়াংশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে ।তবে পরর্বতীতে ১০ দিরে মধ্যে রেজুলেশনে পরিচালকদের ৬০% এর সম্মতি সাক্ষর নিতে হবে।
=জরুরী প্রোগ্রাম পরিচালকদের মৌখিক সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
=বার্ষিক সাধারন সভা ৬০% পরিচালকদের লিখিত সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
=পরিচালনা পরিষদ থেকে সক্রিয়তা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় ৬০% ডিরেক্টর নিয়ে প্রয়োজনে সেক্রেটারীয়েট বা এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করা যাবে।
=অর্ন্তবতীকালীন চেয়ারম্যান এডিশনাল ডিরেক্টর, ভাইস চেয়ারম্যান জয়েন্ট ডিরেক্টর, সেক্রেটারী জেনারেল জয়েন্ট ডিরেক্টর পদর্মযাদায় থাকবেন। অর্ন্তবর্তী দায়িত্ব উপস্থিতির মতামতের ভিত্তিতে হবে। প্রথম তিন বছর অর্ন্তবর্তীকাল হিসেবে বিবেচিত হবে। পরিচালকগন চাইলে সে দায়িত্ব দু বছর পর পরির্বতন হতে পারে।
=তিন বছর পরপর পরিচালনা র্পষদ প্রয়োজনে পূর্নগঠন হতে পারে।
=গ্রুপ পরিচালকের অর্বতমানে গ্রুপ মেম্বারগন ইচ্ছা করলে প্রতি ১০ জনে একজন হাঁরে গ্রুপ পরিচালক হিসেবে নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন নিয়ে একজন নতুন গ্রুপ পরিচালক মনোনয়ন পাবেন।
=প্রতি ১৫-৫০ জনের গ্রুপ হতে গ্রুপ পরিচালক (র্নিবাচিত-নিয়োগপ্রাপ্ত) মনে করলে ভোটিংয়ের মাধ্যমে গ্রুপ কোঅর্ডিনেটর র্নিবাচিত করতে পারবেন।
= সকল ধরনের ডিরেক্টরগন সংগঠনের কাজ ও শেয়ারের র্শত পূরন করেন। কাজের ভিত্তিতে ও পরিচালনা সুবিধা বিবেচনায় পরিচালনা র্পষদ মেম্বার থেকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে এবং সেটা পরিচালকগন মানতে বাধ্য থাকবেন।
= মুনাফা বৃদ্ধিতে এক্সপাট ডিরেক্টরদের বিশেষ সুবিধা থাকতে পারে।
=সংগঠনের র্শীষ ব্যক্তিরা পরিচালনা র্পষদের সমন্নয়ে মুনাফা বৃদ্ধির কাজ করবেন। প্রজেক্ট সংগঠনের উদ্যেগেও হতে পারে বা প্রজেক্টে ফাইনান্স করাও যেতে পারে।
=যতদিন বেতনভূক্ত র্কমী রাখার সক্ষমতা হবেনা ততদিন পরিচালকরা বিনাবেতনে সংগঠন পরিচালনা করবেন।
=কোম্পানী/সংগঠন/সমিতি প্রর্বতন করার প্রাথমিক খরচ বিবরন:
সংগঠনের পরিচালকেরা বহন করবেন।
=আপাতত সদস্য/পরিচালকদের ঋণ নেয়ার বিধান নেই।
=পরিচালনা র্পষদের মেয়াদকাল তিন বছর।
=নতুন যে কোন ধরনের ডিরেক্টর হতে হলে র্শতাবলী পূরন সাপেক্ষে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন লাগবে।
=৬০ শতাংশ ডিরেক্টর দিয়ে এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন হবে।
=চুক্তির মাধ্যমে অন্য উদ্যেগের সাথে কনফেডারেশন গঠনের মাধ্যমেও বড় বোর্ড তৈরী হতে পারে।
পরিচালনা পরিষদের সভার নোটিশ:
বছরের প্রথমেই প্রোগ্রামের তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন রেজুলেশনে সকল পরিচালক পরিচালনা র্পষদ সভায় রেজুলেশনে সাক্ষর করবেন।
পরিচালনা পরিষদের সভা:
১, আত্ব উন্নয়নে পরিচালনা পরিষদ সদস্যদের নিয়ে প্রতি দুই মাসে একটি পাঠ আড্ডা করা হবে।
২, বছরে তিনটি পরিচালনা পরিষদ বা প্রতিনিধি সভা করা হবে।
৩, বছরে একটি পরিচালনা পরিষদ ও সাধারন সদস্যদের সমন্নয়ে এজিএম করা হবে।
৪, প্রতি চারমাস পরপর তিন পরিবার নিয়ে গঠিত বন্ডিং পরিবারের একটিতে চক্রাকারে বেড়ানো হবে।
সিইও ও পরিচালনা র্পষদ র্কাযাবলী ও ক্ষমতাবলী:
সংস্থার সকল বিষয়ে নীতি র্নিধারন, সাধারন দিক র্নিদেশনা, পরিকল্পনা প্রনয়ন ও অনুমোদন করা।
পরিচালনা র্পষদ সিইও নিয়োগ ও মনোনয়ন দান করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
সিইও পরিচালনা র্পষদের ৬০% সম্মতিতে উর্ধ্বতন র্কমর্কতাগনের নিয়োগ সম্পন্ন করবেন।
সিইও র্পষদসভা আহবান করবেন ও সম্পন্ন করবেন।
বার্ষিক আয় ও ব্যায়ের হিসাব চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিচালকদের ৬০% অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক সাধারন র্পষদের সভায় উপস্থাপন করবেন। পরিচালনা র্পষদ বিভিন্ন কমিটি অনুমোদন দিবেন।
সিইও কে অডিট কমিটির কাছে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। অডিট কমিটি পানিশমেন্ট কমিটিকে ডিসিপ্লিনারী একশান নিতে সুপারিশ করবেন।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করার জন্য পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে সিইও ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
উন্নয়নের স্বার্থে সিইও বিনিয়োগ ও সোশ্যাল সিকিউরিটি ও বিভিন্ন ফান্ড, পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ র্নিদিষ্ট লভ্যাংশ বন্টন অনুমোদন করবেন ও বেতন কাঠামো ও ব্যয় অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতা প্রদান করবেন।
আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন হিসাব খোলা ও এ সংক্রান্ত সকল দায়িত্বপালনের জন্য ক্ষমতা প্রনয়ন করা।
পরিচালনা র্পষদ র্নিবাহী পরিচালকের (MD/CEO) নিকট হতে তার যাবতীয় র্কমকান্ডের বিষয়ে খবর নিবেন।
পদ ডিসমিস বা অবসায়ন:
পরিচালনা পরিষদের ৭০% ভোটে যে কোন সদস্যের প্রমানিত নৈতিক বিশৃংখলা ও করাপশন এর জন্য তাকে পানিশমেন্ট কমিটির মাধ্যমে পদচ্যুত করবেন ও নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে নতুন পদায়ন করবেন।
সাধারন র্পষদের ক্ষমতা:
সংস্থার মিশন ভিশন ঠিক করার জন্য প্রস্তাবনা "পলিসি কমিটি"তে পাঠানো।
সংস্থার আর্দশ লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পরিচালনা র্পষদ গঠন করা।
প্রয়োজন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট অডিট ফার্ম নিয়োগ করা। বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব গ্রহন, অনুমোদন করা,দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পলিসি ও প্লান অনুমোদন দেয়া।
তহবিলের আইনী রক্ষাকবচ:
সদস্যরা আবেদন ফরমের সত্যয়িত ফটোকপি পাবে।
সদস্যরা একটি আইডি র্কাড পাবে।
সদস্যরা একাউন্ট মালিকানা সংক্রান্ত স্টাম্পের ফটোকপি পাবে।
সদস্যরা গঠনতন্ত্রের একটি ফটোকপি পাবে।
পরিচালকরা দ্বিমাসিক ও সদস্যরা বাৎসরিক ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট ফেইসের মেইল থেকে পাবে।
সকল জমা ব্যাংকে হবে । ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন লেনদেনের জন্য সংগঠন দায়ী হবেনা।
বড় বিনিয়োগের চেক ৭০% পরিচালকের অনুমোদনে পাস হতে হবে।
তহবিলের উৎস:
১) সংগঠনের প্রতি সদস্যের ১০০ টাকা করে মাসিক অনুদান। বাৎসরিক ১০০০ টাকা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ফান্ডে অনুদান।
২) সংগঠনের ১% লভ্যাংশ। (সংগঠন এর সাধারন পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুমতিতে বাড়ানো যেতে পারে)
৩) লাভের নিয়তে সদস্যদের সঞ্চয়।
৪) হিতাকাঙ্খীদের দান।
অনুমোদিত সংস্থা ব্যক্তি হতে প্রাপ্ত অনুদান/ ঋণ দ্বারা তহবিল গঠন করা যেতে পারে।
৫) বিনিয়োগ হতে আয়।
৬) সেবামূল্য গ্রহণ হতে আয়।
৭) সংগঠনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হতে আয়।
৮) প্রশিক্ষন, পরার্মশ ও সেবা হতে আয়।
=প্রতিমাসে আগ্রহী সদস্যকে ব্যাংকে র্নিদিষ্ট একাউন্টে ইন্টারনেট ব্যাংকিং উপায়ে ১০০০ টাকা করে জমা দিতে হবে। এটি একটি শেয়ার বলে বিবেচিত হবে। সুতরাং প্রত্যেক সদস্য কমপক্ষে একটি বা পরিবারের সদস্য সমান সংখ্যক শেয়ার ক্রয় করবেন।এক লক্ষটাকা জমানো আপাতত লক্ষ্য।এক লক্ষ টাকা ডিপোজিট হওয়া র্পযন্ত কিস্তি চালাতে হবে।
পরে পরিচালনা পরিষদ নতুন শেয়ার বিবেচনা করবেন।
তহবিল পরিচালনা:
পরিচালনা র্পষদের লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে যে কোন নৈতিক ও মানের তফসীলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও সংরক্ষন করা যাইবে। তিনজন অনুমোদিত পরিচালক/র্কমর্কতার সাক্ষরে সংগঠনের দুই তৃতীয়াংশ পরিচালকের রেজুলেশন কপির মাধ্যমে বিনিয়োগের জন্য টাকা চ্যাকের মাধ্যমে ব্যাংক হতে উত্তোলন করা যাবে। সকল জমা, উত্তোলন ব্যাংকের মাধ্যম হবে এবং সকল ব্যয় ভাউচারের মাধ্যমে হবে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহন করা যেতে পারে।
মাসিক জমা বিলম্বের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই মাসের লভ্যাংশ র্কতন করা হইবে ও প্রতি মাস বিলম্বের জন্য ১০০ টাকা বিলম্ব ফি দিতে হবে। সকল কমপেনসেশান পরিচালনা ব্যয় বা সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ডে জমা ও ব্যয় হবে।দশ বছরের আগে মূলধন উত্তোলন করা যাইবেনা। ফরম প্রকাশনা, আইডি র্কাড তৈরী ব্যয়ে সদস্যদের র্ভতি ফরমের বিক্রয় মূল্য হতে ব্যয় করা যাবে। আপাতত সদস্য ও পরিচালকদের ঋণ নেয়ার বিধান নেই। ( তবে ২০০ সদস্য ও এককোটি টাকা ডিপোজিট হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করার পর বিবেচনা করা যেতে পারে)
সংগঠনের যাত্রা:
ইন্টারিম (অর্ন্তর্বতীকালীন) পরিচালনা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের যাত্রা শুরু হবে।ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টর প্রত্যেকেই দশহাজার টাকা করে প্রাথমিক শেয়ার (চাঁদা) ক্রয় করবেন ও সংগঠন (কোম্পানী) রেজিস্ট্রেশনের ব্যয়ভার বহন করবেন।একজন ডিরেক্টর ১ টি ৫০ জনের গুচ্ছকে পরিচালনা যোগ্যতার অধিকারী হবেন
ভিন্ন সিদ্ধান্ত না আসা র্পযন্ত ফরম মুল্য পরিচালকদের ১০০০ টাকা। সদস্যদের ফরম মুল্য ১০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য) এবং পরিবার নিরাপত্তা ফান্ডে সবার র্বাষিক ১২০০ টাকা অনুদান ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ফান্ডে ১০০০ টাকা অনুদান বাধ্যতামূলক হবে যা ফ্যামিলি ও স্বাস্থ্য সিকিউরিটি ফান্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। র্বাষিক ১০০০ টাকা হেলথ সিকিউরিটি ফান্ডে জমা রাখতে হবে যা দিয়ে র্কজে হাসানা ও অনুদান দেয়া হবে।প্রথম দুই বছরের শুরু সময়ে একজন চেয়ারম্যান, একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন সেক্রেটারী জেনারেল দায়িত্ব পালন করবেন। এই তিনজনের নামে ব্যাংক একাউন্ট হবে।এ তিনজনের সাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত পরিচালক রেজুলেশানে পাস থাকতে হবে। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেল সংগঠনকে ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর কাঠামোতে নিয়ে যাবেন।
দশজন বা অনুমোদিত ডেটিকেটেড বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরগন মূল অর্থনৈতিক সংগঠন পরিচালনায় সহযোগিতা করবেন।
=একটি অবৈতনিক উপদেষ্টা কমিটি এবং একটি অবৈতনিক গবেষনা কমিটি করা যেতে পারে। অনুমোদিত কোন সংস্থা আপাতত সেই দায়িত্ব আপাতত পালন করবে।
পরিচালক ও সদস্যদের লভ্যাংশ পারিশ্রমিকের র্বননা/লভ্যাংশ বন্টনের পদ্ধতি::
র্সবমোট দশ থেকে বিশজনের বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরের লভ্যাংশ সমান হবে। হালাল ব্যবসার মাধ্যমে মুনাফা করে
লভ্যাংশের র্অথ সদস্যদের ব্যাংক একাউন্টে এনুয়াল জেনারেল মিটিং অনুষ্ঠিত হওয়ার একমাসের মধ্যে জমা করা হবে।
পরর্বতী ঘোষনা না দেয়া র্পযন্ত যথাক্রমে পরিচালক লভ্যাংশ ৩৩%+ সদস্য লভ্যাংশ ৬৬%+পরিবার ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ফান্ড ১% , হাঁরে লভ্যাংশ বন্টন হবে। ১% সোশ্যাল একটিভিটি ফান্ডেও জমা হতে পারে যা দিয়ে সংগঠন মুল্যবোধ বৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যানের কাজ করবে। ৬৬% লভ্যাংশ থেকে ৩৩% প্রবিশান রাখা হবে। ৩৩% সরাসরি সদস্যদের একাউন্টে জমা দেয়া হবে। প্রবিশানের উদ্বৃত্ত এক বা দুইবছর পরপর সদস্যদের একাউন্টে লভ্যাংশ হিসেবে জমা করা হবে। আপাতত ক্ষতির সম্ভাবনার প্রজেক্টে না যাওয়াই উচিত ও সঞ্চয় র্কাযক্রমে থাকা দরকার। মুদারাবা র্টাম ডিপোজিট (Fixed deposit) বা সঞ্চয়পত্র কেনার মধ্যেও সীমাবদ্ধ থাকা যেতে পারে।এ দুটির লাভ সদস্য ও পরিচালকদের মধ্যে সমভাবে সমহাঁরে বন্টন করা হবে।
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা:
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা হল দেশীয় আইনের বিধান পরিপন্থী কাজ করা।
সংগঠনের প্রসপেক্টাস বিরোধী কাজ করা।
সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর কোন কাজে যুক্ত হওয়া।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা সিইও ও অন্যন্য র্কমর্কতা র্কমচারীর পারিতোষিক র্বণনা:
বেতন কাঠামো যুগোপযোগী করে পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবে তা
মোট লাভের ৩৩% এর অধিক না হলেই ভাল।
দায়বদ্ধতা: সংস্থার র্নিবাহী পরিচালক/এমডি/সিইও পরিচালনা র্পষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তিনি পদাধিকার বলে পরিচালনা র্পষদ ও সাধারন র্পষদের সদস্য সচিব বা সেক্রেটারী জেনারেল থাকবেন।
শেয়ার/সদস্যপদ হস্তান্তর বিধান:
সদস্যরা গ্রুপ পরিচালক ও পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবেন তা ক্ষেত্রমতে ডিরেক্টর বা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে হতে হবে।
মৃত্যু: পরিচালক ও সদস্যদের মনোনীত উত্তরাধিকার লভ্যাংশ পাবে। মনোনীত না থাকলে ওয়ারিশান আইন অনুসারে লভ্যাংশ বন্টন হবে। কোন সদস্য ও পরিচালকের মৃত্যুর পর মনোনীত উত্তরাধিকার বা যোগ্যতা সম্পন্ন উত্তরাধিকার হতে আবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য/পরিচালক মনোনীত করা হবে।
প্রত্যেক সদস্য/শেয়ারের আবেদন ও বন্টনের সময় দেয়া র্অথের পরিমান: র্নিদিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন চেয়ারম্যান বা ডিরেক্টরে সন্তুষ্টি সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।
শেয়ার বা ঋণপত্র বিক্রয়ের দায় কেহ গ্রহন করিলে তার নাম ও ঠিকানা: ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে র্পূণ বিবরন ও চুক্তি সংরক্ষণ করা হইবে।
জায়ান্ট অর্থনৈতিক প্লাটফরম তৈরীর জন্য এই অর্থনৈতিক প্লাটফরম সমমনা সংগঠনের সাথে চুক্তি করতে পারবে।
কোরাম গঠন:
বার্ষিক সাধারন সভায় ও পরিচালনা র্পষদের সভায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের উপস্থিতিকে কোরাম পূর্ন হয়েছে বিবেচনা করা হবে।
কোরাম না হলেও আলোচনা হবে এবং সে আলোচনার রেজুলেশনে ৬০% বা দুই তৃতীয়াংশের সম্মতি সাক্ষর লাগবে।
সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ্ধতি:
=পূর্নাঙ্গ পরিচালনা র্পষদ চেয়ারম্যান অবশ্যই ডিরেক্টর হবেন।ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে পরের মান থেকে র্নিবাচিত হবেন।
=ডিরেক্টর।
=ভাইস চেয়ারম্যান,গ্রুপ পরিচালক
= সেক্রেটারী জেনারেল, গ্রুপ পরিচালক।
=এডিশনাল ডিরেক্টর ,গ্রুপ পরিচালক।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর, গ্রুপ পরিচালক।
=সেক্রেটারী জেনারেল/সিইও/সদস্য সচিব/এমডি, গ্রুপ পরিচালক বা পরিচালনা র্পষদ অর্থনৈতিক র্কাযক্রম মনিটরিং।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
=ডেপুটি ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
= প্রতিষ্ঠাকালীন এসিসস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ও গ্রুপ পরিচালক।
=মেম্বার ও ডিপোজিটর।
বিভিন্ন কমিটির বিবরন:
বিনিয়োগ বা প্রকল্প অনুমোদন কমিটি র্পষদ র্কতৃক বিনিয়োগ নীতি অনুমোদ সাপেক্ষে)
অডিট কমিটি
একাউন্ট পরিচালনা কমিটি
উপদেষ্টা কমিটি
গবেষনা কমিটি
প্রোকিউরমেন্ট কমিটি
ইলেকশান কমিটি
পানিশমেন্ট কমিটি
নিয়োগ কমিটি
পরিবার ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কমিটি।
মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষন কমিটি।
পরিচালনা র্পষদের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিভিন্ন কমিটি।
র্নিবাচন:
তিন বছরের পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ উত্ত্বীর্ণ হওয়ার পূর্বে পরিচালকদের প্রত্যক্ষ ভোটে পরিচালনা র্পষদের র্নিবাচন অনুষ্টিত হবে। ডিরেক্টর চেয়ারম্যান হবেন। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা রাজী না থাকলে তার পরের মান থেকে চেয়ারম্যান হবেন। ভাইস চেঢারম্যান ও সেক্রেটারী জেনারেল তথৈবচ। মানের ক্রম হল
১. চেয়ারম্যান ২. ডিরেক্টর ৩. ভাইস চেয়ারম্যান ৪.সেক্রেটারী জেনারেল ৫. এডিশনাল ডিরেক্টর ৬. কনসালটেন্ট ও উপদেষ্টা ৭. জয়েন্ট ডিরেক্টর ৮. ডেপুটি ডিরেক্টর ৯. ফাউন্ডিং টাইম এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ১০.সদস্য ১১. ডিপোজিটর ।
নোটস: চেয়ারম্যান নিজস্ব অডিটিং প্রধান বিবেচিত হবেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পানিশমেন্ট কমিটি প্রধান।
সেক্রেটারী জেনারেল সিইও/এমডি/প্রধান কোষাধ্যক্ষ বিবেচিত হবেন।
কোন কমিটি বলবৎ না থাকলে পদাধিকার বলে সিইও/এমডি ঐই কমিটির অর্ন্তর্বতীকালীন প্রধান থাকবেন তা এক বছরের বেশী হইবেনা।
গঠনতন্ত্র সংশোধন:
গ্রুপ পরিচালকের বিবেচনা সাপেক্ষে সদস্যদের অনুমোদিত গ্রুপ থেকে লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে,
কোন ডিরেক্টরের লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে,
৫০% পরিচালকের গঠনতন্ত্র সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে,
পরিচালনা র্পষদের ৭০% এর সম্মতি সংশোধনী গৃহিত হতে পারে যা সংগঠনের আর্দশ , লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, দেশ ও জাতিসংঘ অনুমোদিত আর্ন্তজাতিক আইন বিরোধী হবেনা।
আর্থিক বছর : ১ লা জুলাই হতে পরের বছরের ৩০ জুন বলে গন্য করা হবে।
সংগঠন /কোম্পানীর লাভ লোকসানের খতিয়ান, দায় ও সম্পদের বিবরন এবং অডিট/হিসাব নিরীক্ষকের বিবৃতি:
প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ র্নিভূল প্রমানের জন্য অনুমোদিত অডিট কমিটি ও অনুমোদিত অডিট ফার্ম বা সরকারী অডিট র্ফাম দ্বারা অডিট করে নিতে হবে। হিসাবের বিবরনী বার্ষিক সাধারন সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে যা আগেই পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল।
স্বীকৃত ও অভিজ্ঞ অডিটর দিয়ে অডিট করাতে হবে। হিসাবে দেশীয় স্ট্যান্ডার্ড মেন্টেন করতে হবে। লোকসান প্রবিশান থেকে পুরন করা যাবে। লোকসানের যথাযথ কারন থাকতে হবে। কোন র্কমর্কতা দ্বারা লোকশান ইচ্ছাকৃত হলে শাস্তিযোগ্য হইবে (শাস্তি পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবেন)।
কোম্পানী/সংগঠন প্রর্বতনে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন পরিচালকদের প্রদেয় অর্থের বিবরন: সংযুক্ত হইল।
শেয়ারের বিবরন ও মূল্য: সংযুক্তক হইল।
বিবরনপত্র বা প্রসপেক্টাস প্রচার ও তৈরীর তারিখ: ০৯/০২/২০১৮
শেয়ার বা র্ভতি আবেদন পত্রের নমুনা: সংযুক্ত হইল।
শেষকথা: টেন থাউজেন্ড ইকোনমিক ক্লাবের (Ten Thousand Economic Club) গোড়াপত্তন করা আপাত লক্ষ্য হতে পারে। যা
পরর্বতীতে সুবিধামত সময়ে একটি ফ্যামিলি ওরিয়েন্টেড পরিবার কল্যান সমৃদ্ধ জায়ান্ট ফাইনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান সুচনা করবে।এটিকে হতে হবে স্পেশালাইজড ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন যা পারিবারিক ইনকাম বাড়াবে এবং পারিবারিক সমস্যার উত্তরনে বন্ধুর মত কাজ করবে।
নিয়মাবলীতে সাক্ষরকারী ব্যক্তি গনের নাম, ঠিকানা, পেশা।
১,
২,
৩,
৪,
৫,
৬,
৭,
৮,
৯,
১০,
১১,
১২,
চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/সেক্রেটারী জেনারেল (সংগঠনের একাউন্টধারীদের) নাম ও ঠিকানা:
কোম্পানীর হিসাব নিরীক্ষকের নাম ও ঠিকানা:
ভবিষ্যৎ কার্যক্রম দিক র্নিদেশনা::
=টপ ফাইভ ও টপ টেন সমস্যার যৌথ মোকাবেলা।
= ব্যাকবেঞ্চার ফ্রম এক্স স্টুডেন্ট, হাই কোয়ালিফাইড ওমেন ফ্রম নন ইউটিলাইজ রিসোর্চ, মার্জিনাল চাইল্ড, নতুন প্রাদুর্ভাব হওয়া সমস্যা মোকাবেলা কাজের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
= বোর্ডে ও এজিএমে আলোচনা ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কার্যক্রম বাড়ানো যাবে তা যেন গতানুগতিক না হয়।
= নারী বান্ধব ট্রেনিং সেন্টার, র্কমসংস্থানমুখী ট্রেনিং সেন্টার , ফ্যাশন ডিজাইনিং, কুকিং, ছাত্রছাত্রী ডরমিটরী, র্কমজীবী মহিলা হোস্টেল, মহিলা ব্যায়ামাগার, অফিসগামী কমিউনিটি সদস্যদের পরিবহন সমস্যা, ফরমালিন ফ্রি ফুড কার্যক্রম, হোম ডেলিভারী ফর বিজিয়েস্ট পারসন, আউট সোর্চিং গুরুত্ব দেয়া যেতে পারে।
= যাকাত ফিতরা , গরীব ফান্ড গঠন করা যেতে পারে।
= জাতীয় সমস্যা দুরীকরনে সরকারের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও প্রতিষ্ঠানের
প্রাতিষ্ঠানিক সার্মথ্য বিবেচনা করে র্কমসূচী গ্রহন করা যেতে পারে।
= পাবলিক নিড এনালাইসিস, সংগঠন ও ব্যাক্তির গ্যাফ এনালাইসিসও অন্যতম কাজ বলে বিবেচিত হবে।
= কমিউনিটির জন্য কমিউনিটি চিকিৎসা সেন্টার, মাতৃসদন ও আইডি কার্ড কার্যক্রম নেয়া যেতে পারে।
= কৃষি সেক্টর, শিল্পকারখানাকে অন্যতম অগ্রাধিকারের জায়গায় রাখতে হবে। উৎপাদন র্কমসংস্থানকে ধ্যানজ্ঞান জানতে হবে।
= প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় স্বেচ্ছা সেবামূলক ত্রান কার্যক্রম একক বা জয়েন্টবেঞ্চারে গ্রহন করা যেতে পারে।
= র্কতৃপক্ষ ও র্অথায়নকারী সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে শিক্ষা র্কমসূচী গ্রহন করা যেতে পারে
= মানবাধিকার বাস্তবায়নে নারীর আইনী সহায়তা নিশ্চিতের চেষ্টা চালানো যাবে।
=র্কতৃপক্ষ ও র্অথায়নকারী সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে অত্র সংস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে উন্নয়নমূলক পত্রিকা প্রকাশ বা প্রকাশে সহযোগিতা করতে পারবে।
= নগরের মধ্যবিত্তদের আবাসন প্রকল্পে সহযোগিতা করতে পারবে।
= প্রবাসী কল্যান কার্যক্রম করাও যেতে পারে।
= সংস্থার অনুমোদিত কার্যক্রমের স্বার্থে সংস্থা স্বচ্ছতার সাথে একটি গ্রহনযোগ্য ও অনুমোদিত প্রোকিউরমেন্ট গাইডলাইন অনুসরন করতে পারে।
=সকল কমিটির গাইডলাইন তৈরী করতে পারে।
= স্টাফদের আইনানুগ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় বিভিন্ন কল্যানমুখী কার্যক্রম গ্রহন করা যেতে পারে। স্টাফ ওয়েলফেয়ার ফান্ড গঠন করাও যেতে পারে।
==================
ফেইস সংগঠনের সিকিউরিটি ফান্ড ব্যবস্থাপনা নীতি মালা
=========================
আমাদের ফেইস সংগঠনের ফান্ড ব্যবস্থাপনা দু প্রকার।
১. জেনারেল ফান্ড।
২. সিকিউরিটি ফান্ড।
আজ আলোচনা করছি সিকিউরিটি ফান্ডের ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
সিকিউরিটি ফান্ড দু প্রকার।
ক.পরিবার নিরাপত্তা ফান্ড।
খ.স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ফান্ড।
১০০ জন সদস্য সম্বলিত সংগঠন হওয়ার পর পরিবার নিরাপত্তা ফান্ড ব্যবহারের কাজ শুরু হবে।
২০০ জন সদস্য সম্বলিত সংগঠন হওয়ার পর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ফান্ড ব্যবহারের কাজ শুরু হবে।
ফান্ড পাওয়ার পরিমান= {(সদস্য হওয়ার বয়স/সংগঠনের বয়স) * গাইড লাইনে বরাদ্দের পরিমান}
সকল র্কাযক্রম ফান্ড এভেইলেবল থাকা সাপেক্ষে।
ক. সংগঠনের সদস্যদের নরমাল ডেলিভারীতে ৫,০০০/- টাকা উপহার দেয়া হবে।
সিজার ডেলিভারীতে ১০,০০০/- টাকা দেয়া হবে। (দুই সন্তান র্পযন্ত)
খ. সন্তানাদির বিয়ে: ছেলের বিয়েতে প্রতি সদস্য থেকে ১০০ টাকা নিয়ে ২০০ সদস্য থেকে ২০০০০/- টাকা গিফট পাঠানো হবে।
মেয়ের বিয়েতে প্রতি সদস্য থেকে ২০০ টাকা নিয়ে ২০০ সদস্য থেকে ৪০০০০/- টাকা গিফট পাঠানো হবে।
গ. শিক্ষা: সংগঠনের সদস্যদের সন্তানাদি প্রতি জন (একই পরিবারের মোট দুজন) এইচএসসি লেবেলে মোট ১২০০০ টাকা বৃত্তি পাবে।
সংগঠনের সদস্যদের সন্তানাদি প্রতি জন (একই পরিবারের মোট দুজন) গ্রাজুয়েশান লেবেলে মোট ২০০০০ টাকা বৃত্তি পাবে।
সংগঠনের সদস্যদের সন্তানাদি বিদেশে শিক্ষার জন্য যাওয়ার সময় ২০০০০/- টাকা সহযোগিতা পাবে।
সংগঠনের সদস্যদের সন্তানাদি বিদেশে শিক্ষার জন্য যাওয়ার সময় ব্যাংক সলভেন্সী বা গেরান্টর হয়ে সহযোগিতা করা হবে।
ঘ. কারাগার: ফেইস সংগঠন করার কারনে অন্যায়ভাবে মামলা হলে ও কারাবরন করলে ফেইসের অনুমোদিত আইনজীবীর আইনী খরচের ৭০% ফেইস বহন করবে। ৩০% ব্যক্তি বহন করবে।
ফেইসের অননুমোদিত আইনজীবীর আইনী খরচ আলোচনা সাপেক্ষে আংশিক ফেইস বহন করবে। বাকী অংশ ব্যক্তি বহন করবে।
ঙ. পরিবারের একমাত্র উর্পাজনকারী এমন পরিচালক ও সদস্যদের হঠাৎ মৃত্যুতে পরিবারের অন্য কোন সদস্যর চাকরী বা আয় না করা র্পযন্ত যা র্সবোচ্চ দু বছর এর বেশী হইবেনা ...
মাসিক ত্রিশ কেজি চাল, ২ কেজি মাংস, ৪ কেজি মুরগী, ২ কেজি মাছ ও অন্যান্য খরচ বাবদ র্সবমোট মাসিক ৫০০০ টাকা করে দু বছরে ১২০০০০/- (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকা অনুদান দেয়া হবে।
চ. পরিবারের একমাত্র উর্পাজনকারী এমন পরিচালক ও সদস্যদের হঠাৎ চাকরী চলে গেলে পরিবারের অন্য কোন সদস্যের চাকরী বা আয় না করা র্পযন্ত যা র্সবোচ্চ এক বছর প্রকি মাসে ৫০০০/- টাকা করে মোট ৬০০০০/- (ষাট হাজার ) টাকা অনুদান দেয়া হবে।
ছ. সড়ক দুর্ঘটনা, জটিল ও মরন ব্যাধি : (১) সংগঠনের পরিচালক ও সদস্যদের সড়ক দুর্ঘটনা, জটিল ও মরন ব্যাধি (২) সংগঠনের পরিচালক ও সদস্যদের পরিবারের কারো সড়ক দুর্ঘটনা, জটিল ও মরন ব্যাধি হলে ফান্ড এভেইলেবল থাকা সাপেক্ষে র্সবোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে সদস্যদের থেকে নতুন করে কালেকশান করে চিকিৎসা সহযোগিতা দেয়া হবে।
Comments
Post a Comment