ইউনিয়ন নির্বাচন প্রস্তুতি ও নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা
ইউনিয়ন নির্বাচন প্রস্তুতি ও নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা
=================
১. প্রথমে দেখতে হবে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের যোগ্যতা কি ও দুর্বলতা কি। সে অনুযায়ী মাঠ সাজাতে হবে।
২. ইউনিয়ন নির্বাচনে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওআইসি, নির্বাচন কমিশন, এএসপি, এসপি, ডিসি, ডিআইজি নাখোশ হয় এমন আচরন করা যাবেনা।
৩. বিরোধী পক্ষের কোন মানুষ ক্রেজী এনিমি হয় এমন আচরন করা যাবেনা।
৪. খারাপ মানুষদের বিপক্ষে টেকনিক্যাল অবস্থান নিতে হয় যাতে খারাপ মানুষ জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা না হয়।
৫. জনমত কোন দিকে দেখতে হবে। ইসলামী, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী নাকি বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী তা দেখে চক কষতে হবে।
৬. ইউনিয়ন নির্বাচনের আগে কিছু স্টেশনারী কিনে ফেললে ভাল। হ্যান্ড মাইক, বড় সাউন্ডবক্স, মাইক, মাইক্রোফোন। লাইভ করার স্ট্যান্ড, লাইভ করার মাইক্রোফোন, লাইভ করার লাইটিং। গ্রামে গঞ্জে ফেসবুক একটি ফ্যাক্টর।
৭. সকল নির্বাচনী অফিসে বিশ্বস্ত স্টাফ দরকার।
৮. একজন বিশ্বস্ত পিএস দরকার।
৯. একজন বিশ্বস্ত ক্যাশিয়ার দরকার।
১০. একজন নির্বাচন সমন্বয়কারী দরকার।
১১. একটি দক্ষ ও অভিজ্ঞ নির্বাচনী কমিটি দরকার। পূর্বে নির্বাচন করেছে এমন মেম্বার প্রার্থীদের পেলে ভাল হয়।
১২. লিফলেট, নির্বাচনী পোস্টার, নির্বাচনী আইকা গাম ওয়ালা স্টিকার করতে হয়।
১৩. নির্বাচনী ইশতেহার করতে হয়।
১৪. প্রচারনার পর থেকে নির্বাচনী পথসভার শিডিউল করতে হয়।
১৫. নির্বাচনী প্রচারনা শুরু হওয়ার পর থেকে একটা ছোট কমিটিকে প্রতিদিন কি কাজ হয়েছে কি কাজ হয়নি তা পর্যালোচনা করতে বসতে হয়।
১৬. বিরোধী পক্ষের বক্তব্য এনালাইসিস টিম দরকার হয় এবং তা যথাযথ উত্তর করতে হয়।
১৭. বিরোধীদের কনভিন্স করার জন্য টিম দরকার।
১৮. মঞ্চের বক্তাদের বক্তব্য সমন্বয় করতে হয়। কে কি কথা বলবে আগেই সমন্বয় করতে হয়।
১৯. ভোট চাইতে প্রতি গ্রামে তরুন যুবক টিম পাঠাতে হয়।
২০. প্রতি গ্রামে মহিলা সমাবেশের জন্য আগেই মহিলা স্বেচ্ছাসেবক দরকার হয়।
২১. ভোট পক্ষে আনতে না পারলে ওই এলাকায় ভোট ভাগ করার জন্য ডামি প্রার্থী দাড় করাতে হয়।
২২. ভীতিকর সংবাদ গোপন করতে হয় যাতে ভোটার উপস্থিতি কমে না যায়।
২৩. প্রশাসন ডিস্টাব না করার পরিবেশ রাখতে হয়।
২৪. যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জনগনের মনোবল ঠিক করতে কাজ করতে হয়।
২৫. মেম্বার প্রার্থীদের সাথে সমন্বয় করতে হয়।
২৬. প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং, পোলিং বিপক্ষের না হলে ভাল।
২৭. এজেন্টদের ট্রেইনআপ করতে হয় যাতে জাল ভোট ঠেকাতে পারে।
২৮. সকল মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনের লিস্ট থাকলে ভাল হয়।
২৯. সকল শিক্ষকদের সাথে সুসম্পর্ক থাকলে ভাল হয়।
৩০. সকল গ্রাম সর্দারদের সাথে ভাল সম্পর্ক থাকলে ভাল হয়।
৩১. সকল ক্লাবের সভাপতি সেক্রেটারীর সাথে সম্পর্ক থাকলে ভাল হয়।
৩২. প্রতি গ্রামের সাবেক মেম্বার চেয়ারম্যানের সাথে সম্পর্ক থাকলে উপকার পাওয়া যায়।
৩৩. সকল গ্রামের চাকুরীজীবী সহ প্রভাবশালী পরিবারের সাথে সম্পর্ক করা গেলে ভাল হয়।
৩৪. শহরে অবস্থানরতদের সংগঠিত করে ভোট দিতে আনা গেলে ভাল হয় কারন একটি ভোটের অনেক দাম।
৩৫. আঞ্চলিক পেইজগুলোর সাথে সম্পর্ক দরকার।
৩৬. মঞ্চে পাবলিক এলার্জি আছে এমন বক্তা না থাকলে ভাল হয়।
৩৭. প্রতি সেন্টারে ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করার জন্য কমপক্ষে ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক দরকার।
৩৮. ভোটের দিন গ্রামে গ্রামে টহল দিয়ে দেখতে হবে, কেউ ভোট কেন্দ্রে আসতে ভোটারদের বাধা দিচ্ছে কিনা।
৩৯. জনগনকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, অতীত কিছু ভাল কাজ তুলে ধরতে হবে।
৪০. আত্মীয় স্বজনকে সংগঠিত করতে হবে।
৪১. বিরোধী নেতৃত্বকে কনভিন্স করতে হবে।
৪২. ভোট সঠিকভাবে গননা করে কেন্দ্রে ঘোষনা নিশ্চিত করতে হবে। রেজাল্টশীটে প্রিজাইডিংয়ের সই সীল থাকতে হবে।
৪৩. বাহু শক্তির মোকাবেলায় জনতার শক্তি থাকতে হবে।
৪৪. পুরো ইউনিয়নের সমস্যা নখর্দপনে থাকতে হবে।
৪৫. ভাসমান ভোটার পক্ষে আনার চেষ্টা করতে হবে।
৪৬. ভোট ব্যাংক তৈরী করতে হবে।
৪৭. যুবক ও তরুনদের পক্ষে আনার জন্য আকর্ষনীয় কথা ও প্রোগ্রাম নিতে হবে।
৪৮. কর্মী বান্ধব হতে হবে। কর্মীদের সুখে দু:খে পাশে থাকতে হবে।
৪৯. বিশ্বস্ত মানুষ চিনতে হবে, বিশ্বস্ততা তৈরী করতে হবে।
৫০. পলিসি তৈরী করতে হবে।
৫১. চিকিৎসা টিম, সহিংসতা সময়ে ইমার্জেন্সী টিম তৈরী করতে হবে।
৫২. গ্রেফতার ডিল করতে টিম করতে হবে।
৫৩. নির্বাচনের দিন প্রিজাইডিং, রিটার্নিং, প্রশাসন ডিল করতে কমিটি লাগবে।
৫৪. নির্বাচনের দিন ইমার্জেন্সী ডিল করতে কমিটি লাগবে।
৫৫. প্রচুর ফান্ড লাগবে।
৫৬. মেসেজ টিম লাগবে।
৫৭.ফোন টিম লাগবে।
৫৮. স্পাই টিম লাগবে।
৫৯. মামলা টিম লাগবে।
৬০. প্রতিরোধ টিম লাগবে।
সর্বোপরী প্রার্থীকে আকর্ষনীয় বক্তা হতে হবে।
Comments
Post a Comment