WEEN prospectus 2022
Youth Women Marginal –People Society
Women Empowerment Enhancement Network
উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট এনহেন্সমেন্ট নেটওয়ার্ক
সংঘ স্মারক এবং গঠনতন্ত্র
সংগঠনের নাম
বাংলা নাম: উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট এনহেন্সমেন্ট নেটওয়ার্ক
ইংরেজী নাম: Women Empowerment Enhancement Network ( WEEN)
সংগঠনের ঠিকানা
মাহফুজা ভিলা (নীচতলা), নোয়াখালী পট্টি (আদর্শ গলির বিপরীতে)। দক্ষিন মুগদা পাড়া। আনন্দধারা। মুগদা। ঢাকা।
র্কম এলাকা
সমগ্র বাংলাদেশ।
আর্দশ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক বেসরকারী নারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি মহিলা অধিদপ্তরের নীতিমালা ও জাতিসংঘের বিশ্বময় ঘোষনা এবং মানবাধিকার নীতি অনুসরন করে চলবে।
মূখ্য লক্ষ্য
সংস্থার মূখ্য লক্ষ্য হবে সরকারের নীতিমালা ও আইনী কাঠামোর আওতায় নারী উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে শক্তিশালীকরন, নারী ও পারিবারিক সমস্যা বিমোচনে কাজ করা। কমতি (Gap) ও প্রয়োজন (Need) বিবেচনায় রেখে মানব সভ্যতা তৈরীতে অবদান রাখার নিমিত্তে নারী ও পরিবারগুলোকে উৎসাহ দিয়ে পরিপূরক (Complementary) পদ্ধতির দিকে মনোযোগ আর্কষন করে পরিবার গুলো থেকে উদ্যোক্তা (Initiator) তৈরীতে কাজ করে যাওয়া।
মূখ্য লক্ষ্য, আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে কোন কর্মসূচী সরকার, সংশ্লিষ্ট র্কতৃপক্ষ, র্অথায়নকারী সংস্থা, উপযুক্ত র্কতৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।আইন,নিয়ম নীতি অনুসরনের পাশাপাশি প্রচলিত সদ অভ্যাসকে (Good practice) অনুসরনযোগ্য ধরা হবে।
সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
WEEN – উইন – নারী দক্ষতা উন্নয়ন আন্দোলন। মধ্যম মানের ও নিম্ম মধ্যম মানের সাবেক নারী শির্ক্ষাথী, সাধারন নারী ও র্কমসংস্থানে অনিয়োজিত ত্রির্শোধ উচ্চশিক্ষিত বেকার নারী ও নিম্মবিত্ত নারীদের র্কমসংস্থান ও নারীদের মাধ্যমে পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির চিন্তা করে প্রতিষ্ঠিত একটি মিশনারী মহৎ উদ্যেগ।
এই সংগঠন নারীদের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, নারী দক্ষতা বৃদ্ধি (র্কমদক্ষতা ও মূল্যবোধের দক্ষতা), আপাতত নিম্মবিত্ত নারীদের র্কমসংস্থান ও মধ্যবিত্ত উচ্চশিক্ষিত নারীদের র্কমসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
সংগঠনটি ইংরেজীতে সংক্ষেপে WEEN
বাংলায় সংক্ষেপে উইন
নামে পরিচিত হবে
সদস্য হওয়ার উপযোগিতা
= জন্মগতভাবে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক সুস্থ, প্রাপ্তবয়ষ্ক, সমাজসেবামূলক মনোভাবী হলে এবং অত্র সংগঠনের লক্ষ্য, আর্দশ ও উদ্দেশ্যাবলীতে বিশ্বাসী হলে এ সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
= সদস্যপদ পূরনের প্রয়োজন হলে অত্র সংগঠনের র্নিদিষ্ট আবেদন ফরম পূরন করে কমপক্ষে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারী জেনারেল এর অনুমোদনের প্রমান সম্বলিত সাক্ষর দিয়ে সেই সত্যয়িত আবেদন ফরমের ফটোকপি গ্রহন করে, র্নিধারিত চাঁদা/ অনুদান/ফি প্রদান করতে সম্মত হলে সদস্য হবার যে কোন যোগ্য ব্যক্তি এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টরদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন অবশ্যই তাহা ডিরেক্টরের, এডিশনাল ডিরেক্টরের/ চেয়ারম্যানের,ভাইস চেয়ারম্যানের, সেক্রেটারী জেনারেলের মতের বিপক্ষে হইবেনা। সদস্য আবেদন ফরম চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সাক্ষরে অনুমোদিত হবে।
সদস্যপদ বাতিল
+কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে।
+পরিচিত কোন র্ধমীয় দলের সদস্য হলে।
+অত্র সংস্থার বেতনভূক্ত পদে র্কমী হিসেবে নিয়োগ হলে।
+কোন সদস্য পরপর দুটি এজিএমে না আসলে বা বছরে তিনটি সদস্য আড্ডায় না আসলে ।
+সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও দেশের আইন পরিপন্থী কাজ করলে।
+ কোন সদস্য/সদস্যার মৃত্যু হলে, দেউলিয়া হলে বা মানসিক ভারসাম্য হারালে সদস্যপদ হারাবেন।
সদস্য তার মৃত্যুর পরের জন্য কাউকে পাওয়ার অব এটর্নি বা নমিনী দিলে তিনি ডিরেক্টর বডি (Director body) অনুমোদন সাপেক্ষে কাজ করতে পারবেন।
+পদত্যাগের আবেদন করলে এবং তা যথাযথ র্কতৃপক্ষ অনুমোদন করলে ।
+বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে র্সবোচ্চ আদালত র্কতৃক দোষী সাব্যস্ত হলে সদস্যপদ হাঁরাতে পারেন।
সদস্য সভার নোটিশ
প্রত্যেক পরিচালক তার আওতাধীন গ্রুপ সদস্যদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রোগ্রাম তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন গ্রুপ রেজুলেশন/র্সাকুলেশন বইতে সাক্ষর নিবেন। আবেদন ফরমে উল্লেখিত মোবাইলে ও ইমেইলে মেসেজ ও ইমেইল পাঠানো অফিসিয়াল আমন্ত্রন বলে গন্য হবে।
সদস্য সভা
=গ্রুপ পরিচালকের আওতাধীন সদস্যদের নিয়ে বছরে ছয়টি সদস্য আড্ডা অনুষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হবে।
=তিন পরিবার নিয়ে পরিবার বন্ডিং গেটটুগেদারগুলো প্রতি চারমাস পরপর তার অন্য দুটি বন্ডিং পরিবারের সম্মতিতে তিন পরিবারের একটিতে বেড়ানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
=বস্তুত একজন সদস্য বছরে একবার এজিএমে অংশগ্রহন ও ব্যাংকে মাসিক র্নিধারিত ডোনেশন/ফি জমা দেয়াকে "মূল দায়িত্ব" বিবেচনা করা হবে।
পরিচালনা পরিষদ
= দক্ষতার বৃদ্ধির জন্য বছরে ১৫ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডেপুটি ডিরেক্টর, ৩০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে জয়েন্ট ডিরেক্টর, ৪০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে এডিশনাল ডিরেক্টর, ৫০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডিরেক্টর হিসেবে বিবেচিত হবেন।
= র্নিবাচনে ভোট দানে, সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়া ও সম্মানী ভাতা শেয়ারিংয়ে সব ধরনের পরিচালকদের সমান র্মযাদা।
=পরিচালনা পরিষদ ৭ হতে ২১ জনে সীমাবদ্ধ থাকবে।
=পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেল/এমডি/সিইও প্রথমত ডিরেক্টরদের মধ্যে থেকে র্নিবাচিত করতে হবে। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা ডিরেক্টর পদ গ্রহনে রাজী না হলে তার পরের পদ হতে র্নিবাচন করা যাবে।
=সংগঠনের গ্রুপ পরিচালকদের নিয়ে উইন পরিচালনা র্পষদ গঠন করা হবে।
=ধারাবাহিক তিনটি পরিচালনা পরিষদ সভায় না আসলে পরিচালক তার পরিচালক পদ হারাতে পারেন।
=ভিন্ন ঘোষনা না হলে বছরে কমপক্ষে পরিচালকদের তিনটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারনত এপ্রিল, অগাস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ২য় শুক্রবার পরিচালনা পরিষদের মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। সংগঠন পরিচালনার প্রয়োজনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচালনা পরিষদ প্রোগ্রাম করা হবে।
=উপস্থিতির দুই তৃতীয়াংশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে।তবে পরর্বতীতে ১০ দিরে মধ্যে রেজুলেশনে পরিচালকদের অধিকাংশ এর সম্মতি সাক্ষর নিতে হবে। [বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে পরিচালকদের সংখ্যাগরিষ্টের মতামতে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।]
=জরুরী প্রোগ্রাম পরিচালকদের মৌখিক সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
=বার্ষিক সাধারন সভা অধিকাংশ পরিচালকদের লিখিত সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
= পরিচালনা পরিষদ থেকে সক্রিয়তা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় অধিকাংশ ডিরেক্টর নিয়ে প্রয়োজনে সেক্রেটারীয়েট বা এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করা যাবে।
=অর্ন্তবতীকালীন চেয়ারম্যান এডিশনাল ডিরেক্টর, ভাইস চেয়ারম্যান জয়েন্ট ডিরেক্টর, সেক্রেটারী জেনারেল জয়েন্ট ডিরেক্টর পদর্মযাদায় থাকবেন। অর্ন্তবর্তী দায়িত্ব উপস্থিতির মতামতের ভিত্তিতে হবে। প্রথম দু বছর অর্ন্তবর্তীকাল হিসেবে বিবেচিত হবে। পরিচালকগন চাইলে সে দায়িত্ব এক বছর পর পরির্বতন হতে পারে।
=দু বছর পরপর পরিচালনা র্পষদ প্রয়োজনে পূর্নগঠন হতে পারে।
=গ্রুপ পরিচালকের অর্বতমানে গ্রুপ মেম্বারগন ইচ্ছা করলে প্রতি ১০ জনে একজন হাঁরে গ্রুপ পরিচালক হিসেবে নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন নিয়ে একজন নতুন গ্রুপ পরিচালক মনোনয়ন পাবেন।
=প্রতি ১৫-৫০ জনের গ্রুপ হতে গ্রুপ পরিচালক (র্নিবাচিত-নিয়োগপ্রাপ্ত) মনে করলে ভোটিংয়ের মাধ্যমে গ্রুপ কোঅর্ডিনেটর র্নিবাচিত করতে পারবেন।
= সকল ধরনের ডিরেক্টরগন সংগঠনের কাজ ও শেয়ারের র্শত পূরন করেন। কাজের ভিত্তিতে ও পরিচালনা সুবিধা বিবেচনায় পরিচালনা র্পষদ মেম্বার থেকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে এবং সেটা পরিচালকগন মানতে বাধ্য থাকবেন।
= দক্ষতা বৃদ্ধিতে এক্সপার্ট ডিরেক্টরদের বিশেষ সুবিধা থাকতে পারে।
=সংগঠনের র্শীষ ব্যক্তিরা পরিচালনা র্পষদের সমন্নয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির কাজ করবেন। প্রজেক্ট সংগঠনের উদ্যেগেও হতে পারে বা প্রজেক্টে ফাইনান্স করাও যেতে পারে।
সরকার, এনজিও, জাতিসংঘ, বিদেশী সংস্থার সাথে সমন্নয় করেও কাজ হতে পারে।
=যতদিন বেতনভূক্ত র্কমী রাখার সক্ষমতা হবেনা ততদিন পরিচালকরা বিনাবেতনে সংগঠন পরিচালনা করবেন।
=পরিচালনা পরিষদের প্রোগ্রামে র্নিদিষ্ট করে দেয়া কাজ পরিচালকদের সম্পন্ন করতে হবে।
=প্রতি পরিচালকের সুর্নিদিষ্ট কাজ থাকবে।
=সংগঠন প্রর্বতন করার প্রাথমিক খরচ সংগঠনের পরিচালকেরা বহন করবেন।
=আপাতত সদস্য/পরিচালকদের সংগঠনের ফান্ড থেকে ঋণ নেয়ার বিধান নেই।
=পরিচালনা র্পষদের মেয়াদকাল দু বছর।
=নতুন যে কোন ধরনের ডিরেক্টর হতে হলে র্শতাবলী পূরন সাপেক্ষে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন লাগবে।
=অধিকাংশ ডিরেক্টর দিয়ে এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন হবে।
=চুক্তির মাধ্যমে অন্য উদ্যোগ এর সাথে কনফেডারেশন গঠনের মাধ্যমেও বড় বড় প্রজেক্ট তৈরী হতে পারে।
পরিচালনা পরিষদের সভার নোটিশ
বছরের প্রথমেই প্রোগ্রামের তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন রেজুলেশনে সকল পরিচালক পরিচালনা র্পষদ সভায় রেজুলেশনে সাক্ষর করবেন।
পরিচালনা পরিষদের সভা
১. আত্ব উন্নয়নে পরিচালনা পরিষদ সদস্যদের নিয়ে প্রতি দুই মাসে একটি বিষয়ভিত্তিক বা বই ভিত্তিক পাঠ আড্ডা করা হবে।
২. বছরে কমপক্ষে তিনটি পরিচালনা পরিষদ সহায়তায় প্রতিনিধি সভা করা হবে।
৩. বছরে একটি পরিচালনা পরিষদ ও সাধারন সদস্যদের সমন্বয়ে এজিএম করা হবে।
সিইও ও পরিচালনা র্পষদ র্কাযাবলী ও ক্ষমতাবলী
সংস্থার সকল বিষয়ে নীতি র্নিধারন, সাধারন দিক র্নিদেশনা, পরিকল্পনা প্রনয়ন ও অনুমোদন করা।
পরিচালনা র্পষদ সিইও নিয়োগ ও মনোনয়ন দান করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
সিইও পরিচালনা র্পষদের অধিকাংশ সম্মতিতে উর্ধ্বতন র্কমর্কতাগনের নিয়োগ সম্পন্ন করবেন।
চেয়ারম্যান/সিইও র্পষদ সভা আহবান করবেন ও সম্পন্ন করবেন।
বার্ষিক আয় ও ব্যায়ের হিসাব চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিচালকদের অধিকাংশ অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক সাধারন র্পষদের সভায় উপস্থাপন করবেন।
পরিচালনা র্পষদ বিভিন্ন কমিটি অনুমোদন দিবেন।
সিইও কে অডিট কমিটির কাছে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন ধরনের নিয়ম লংঘনের জন্য অডিট কমিটি পানিশমেন্ট কমিটিকে ডিসিপ্লিনারী একশান নিতে সুপারিশ করবেন।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করার জন্য পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে সিইও ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
উন্নয়নের স্বার্থে সিইও বিনিয়োগ ও সোশ্যাল সিকিউরিটি ও বিভিন্ন ফান্ড, পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ র্নিদিষ্ট সম্মানী ভাতা বন্টন অনুমোদন করবেন, বেতন কাঠামো ও ব্যয় অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতা প্রদান করবেন।
আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন হিসাব খোলা ও এ সংক্রান্ত সকল দায়িত্বপালনের জন্য ক্ষমতা প্রনয়ন করা।
পরিচালনা র্পষদ র্নিবাহী পরিচালকের (MD/CEO) নিকট হতে তার যাবতীয় র্কমকান্ডের বিষয়ে খবর নিবেন।
পদ ডিসমিস বা অবসায়ন
পরিচালনা পরিষদের ৭০% ভোটে যে কোন সদস্যের প্রমানিত নৈতিক বিশৃংখলা ও করাপশন এর জন্য তাকে পানিশমেন্ট কমিটির মাধ্যমে পদচ্যুত করবেন ও নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে নতুন পদায়ন করবেন।
কেউ অনৈতিক কোন্দল করলে যা সংগঠনের অস্তিত্ব বিনাশী তখন প্রয়োজনে চেয়ারম্যান একক ক্ষমতা বলে সংশ্লিষ্টদের পদচ্যুতি ঘটাতে পারবেন।
সাধারন র্পষদের ক্ষমতা
সংস্থার মিশন ভিশন ঠিক করার জন্য প্রস্তাবনা "পলিসি কমিটি"তে পাঠানো।
সংস্থার আর্দশ, লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পরিচালনা র্পষদ গঠন করা।
প্রয়োজন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট অডিট ফার্ম নিয়োগ করা। বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব গ্রহন, অনুমোদন করা,দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পলিসি ও প্লান অনুমোদন দেয়া।
সদস্যদের আইনী রক্ষাকবচ
সদস্যরা আবেদন ফরমের সত্যয়িত ফটোকপি পাবে।
সদস্যরা একটি আইডি র্কাড পাবে।
সদস্যরা গঠনতন্ত্রের একটি ফটোকপি পাবে।
পরিচালকরা দ্বিমাসিক ও সদস্যরা বাৎসরিক ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট সংগঠনের মেইল থেকে পাবে।
সকল জমা ব্যাংকে হবে ।
ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন লেনদেনের জন্য সংগঠন দায়ী হবেনা।
বড় চেক ৭০% পরিচালকের অনুমোদনে পাস হতে হবে।
চেয়ারম্যানের একক ক্ষমতা:
প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ও সাসটেইনেবিলিটির প্রয়োজনে চেয়ারম্যান এই গঠনতন্ত্রের প্রয়োজনীয় সংশোধন, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদস্থ ব্যক্তির সাময়িক পদচ্যুতি, রদবদল, নতুন কোন প্রজেক্টের সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারবেন।
তহবিলের উৎস
১) সংগঠনের প্রতি সদস্যের ১০০ টাকা ও তদোর্ধ্ব করে মাসিক অনুদান।
২) হিতাকাঙ্খীদের দান।
অনুমোদিত সংস্থা ব্যক্তি হতে প্রাপ্ত অনুদান/ ঋণ দ্বারা তহবিল গঠন করা যেতে পারে।
৩) বিনিয়োগ হতে আয়।
৪) সেবামূল্য গ্রহণ হতে আয়।
৫) সংগঠনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হতে আয়।
৬) প্রশিক্ষন, পরার্মশ ও সেবা হতে আয়।
তহবিল পরিচালনা
পরিচালনা র্পষদের লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে যে কোন নৈতিক ও মানের তফসীলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও সংরক্ষন করা যাইবে। তিনজন অনুমোদিত পরিচালক/র্কমর্কতার সাক্ষরে সংগঠনের দুই তৃতীয়াংশ পরিচালকের রেজুলেশন কপির মাধ্যমে বিনিয়োগ ও অন্যান্য নিয়মিত কাজের জন্য টাকা চ্যাকের মাধ্যমে ব্যাংক হতে উত্তোলন করা যাবে। সকল জমা, উত্তোলন ব্যাংকের মাধ্যম হবে এবং সকল ব্যয় অনুমোদিত ভাউচারের মাধ্যমে হবে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহন করা যেতে পারে।
ফরম প্রকাশনা, আইডি র্কাড তৈরী ব্যয়ে সদস্যদের র্ভতি ফরমের বিক্রয় মূল্য হতে ব্যয় করা যাবে। ফরম প্রকাশনা, আইডি র্কাড তৈরী ব্যয় সদস্যরা বহন করবেন।
সংগঠনের যাত্রা
ইন্টারিম (অর্ন্তবতীকালীন) পরিচালনা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের যাত্রা শুরু হবে।এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টর প্রত্যেকেই ব্যাংক স্টেটমেন্টের জন্য সরকার নির্ধারিত শর্তানুযায়ী মোট টাকা সমভাবে ভাগ করে ব্যাংকে ডিপোজিট করবেন।
পরিচালক প্রত্যেকেই প্রাথমিক খরচ/ফি/ডোনেশন (চাঁদা) ক্রয় করবেন ও সংগঠন রেজিস্ট্রেশনের ব্যয়ভার বহন করবেন।একজন ডিরেক্টর ১ টি ৫০ জনের গুচ্ছকে পরিচালনা যোগ্যতার অধিকারী হবেন
ভিন্ন সিদ্ধান্ত না আসা র্পযন্ত ফরম মুল্য পরিচালকদের ২০০০ টাকা। সদস্যদের ফরম মুল্য ১০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
প্রতি মাসে সংগঠন পরিচালনার জন্য নুন্যতম ১০০ টাকা বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রদান করতে হবে।
প্রথম দুই বছরের শুরু সময়ে একজন চেয়ারম্যান, একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন সেক্রেটারী জেনারেল দায়িত্ব পালন করবেন। এই তিনজনের নামে ব্যাংক একাউন্ট হবে।এ তিনজনের মধ্যে দুজনের যৌথ সা সাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত পরিচালক রেজুলেশানে পাস থাকতে হবে।
৭/৯/১১জন বা বিজোড় সংখ্যক অনুমোদিত ডেটিকেটেড বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরগন সংগঠন পরিচালনায় সহযোগিতা করবেন।
=একটি অবৈতনিক উপদেষ্টা কমিটি এবং একটি অবৈতনিক গবেষনা কমিটি করা যেতে পারে।
অনুমোদিত কোন সংস্থা আপাতত সেই দায়িত্ব আপাতত পালন করবে।
পরিচালক ও সদস্যদের পারিশ্রমিকের র্বননা/লভ্যাংশ বন্টনের পদ্ধতি
বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরের সম্মানী সমান হবে।
সংগঠন মুল্যবোধ বৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যানের কাজ করবে। আপাতত ক্ষতির সম্ভাবনার প্রজেক্টে না যাওয়াই উচিত ও সঞ্চয় র্কাযক্রমে থাকা দরকার।
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা হল দেশীয় আইনের বিধান পরিপন্থী কাজ করা।
সংগঠনের প্রসপেক্টাস বিরোধী কাজ করা।
সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর কোন কাজে যুক্ত হওয়া।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা সিইও ও অন্যন্য র্কমর্কতা র্কমচারীর পারিতোষিক র্বণনা
বেতন কাঠামো যুগোপযোগী করে পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবে।
দায়বদ্ধতা: সংস্থার র্নিবাহী পরিচালক/এমডি/সিইও পরিচালনা র্পষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তিনি পদাধিকার বলে পরিচালনা র্পষদ ও সাধারন র্পষদের সদস্য সচিব বা সেক্রেটারী জেনারেল থাকবেন।
সদস্যপদ হস্তান্তর বিধান
সদস্যরা গ্রুপ পরিচালক ও পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে সদস্যপদ হস্তান্তর করতে পারবেন তা ক্ষেত্রমতে ডিরেক্টর বা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে হতে হবে।
মৃত্যু: পরিচালক ও সদস্যদের মনোনীত উত্তরাধিকার সম্মানী ভাতা পাবে। মনোনীত না থাকলে ওয়ারিশান আইন অনুসারে সম্মানী ভাতা বন্টন হবে। কোন সদস্য ও পরিচালকের মৃত্যুর পর মনোনীত উত্তরাধিকার বা যোগ্যতা সম্পন্ন উত্তরাধিকার হতে আবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য/পরিচালক মনোনীত করা হবে।
প্রত্যেক সদস্য আবেদন ও বন্টনের সময় দেয়া র্অথের পরিমান: র্নিদিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন চেয়ারম্যান বা ডিরেক্টরের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।
দায় কেহ গ্রহন করিলে তার নাম ও ঠিকানা: ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে র্পূণ বিবরন ও চুক্তি সংরক্ষণ করা হইবে।
কোরাম গঠন
বার্ষিক সাধারন সভায় ও পরিচালনা র্পষদের সভায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের উপস্থিতিকে কোরাম পূর্ন হয়েছে বিবেচনা করা হবে।
কোরাম না হলেও আলোচনা হবে এবং সে আলোচনার রেজুলেশনে অধিকাংশ বা দুই তৃতীয়াংশের সম্মতি সাক্ষর লাগবে।
সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ্ধতি
=পূর্নাঙ্গ পরিচালনা র্পষদ চেয়ারম্যান অবশ্যই ডিরেক্টর হবেন।ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে পরের মান থেকে র্নিবাচিত হবেন।
=ডিরেক্টর।
=ভাইস চেয়ারম্যান,গ্রুপ পরিচালক
= সেক্রেটারী জেনারেল, গ্রুপ পরিচালক।
=এডিশনাল ডিরেক্টর ,গ্রুপ পরিচালক।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর, গ্রুপ পরিচালক।
=সেক্রেটারী জেনারেল/সিইও/সদস্য সচিব/এমডি, গ্রুপ পরিচালক বা পরিচালনা র্পষদ অর্থনৈতিক র্কাযক্রম মনিটরিং।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
=ডেপুটি ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
= প্রতিষ্ঠাকালীন এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ও গ্রুপ পরিচালক।
=মেম্বার।
বিভিন্ন কমিটির বিবরন
বিনিয়োগ বা প্রকল্প অনুমোদন কমিটি (পরিচালনা র্পষদ র্কতৃক বিনিয়োগ নীতি অনুমোদন সাপেক্ষে)
অডিট কমিটি
একাউন্ট পরিচালনা কমিটি
উপদেষ্টা কমিটি
গবেষনা কমিটি
প্রোকিউরমেন্ট কমিটি
ইলেকশান কমিটি
পানিশমেন্ট কমিটি
নিয়োগ কমিটি
পরিবার ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কমিটি।
মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষন কমিটি।
পরিচালনা র্পষদের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিভিন্ন কমিটি।
র্নিবাচন
দু বছরের পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ উত্ত্বীর্ণ হওয়ার পূর্বে পরিচালকদের প্রত্যক্ষ ভোটে পরিচালনা র্পষদের র্নিবাচন অনুষ্টিত হবে। ডিরেক্টর চেয়ারম্যান হবেন। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা রাজী না থাকলে তার পরের মান থেকে চেয়ারম্যান হবেন। ভাইস চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারী জেনারেল তথৈবচ। মানের ক্রম হল
১. চেয়ারম্যান ২. ডিরেক্টর ৩. ভাইস চেয়ারম্যান ৪.সেক্রেটারী জেনারেল ৫. এডিশনাল ডিরেক্টর ৬. কনসালটেন্ট ও উপদেষ্টা ৭. জয়েন্ট ডিরেক্টর ৮. ডেপুটি ডিরেক্টর ৯. ফাউন্ডিং টাইম এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ১০.সদস্য ।
চেয়ারম্যান নিজস্ব অডিটিং প্রধান বিবেচিত হবেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পানিশমেন্ট কমিটি প্রধান।
সেক্রেটারী জেনারেল সিইও/এমডি/প্রধান কোষাধ্যক্ষ বিবেচিত হবেন।
কোন কমিটি বলবৎ না থাকলে পদাধিকার বলে সিইও/এমডি ঐই কমিটির অর্ন্তর্বতীকালীন প্রধান থাকবেন তা এক বছরের বেশী হইবেনা।
গঠনতন্ত্র সংশোধন
গ্রুপ পরিচালকের বিবেচনা সাপেক্ষে সদস্যদের অনুমোদিত গ্রুপ থেকে লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে,
কোন ডিরেক্টরের লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে, অধিকাংশ পরিচালকের গঠনতন্ত্র সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে, পরিচালনা র্পষদের ৭০% এর সম্মতিতে সংশোধনী গৃহিত হতে পারে যা সংগঠনের আর্দশ, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, দেশ ও জাতিসংঘ অনুমোদিত আর্ন্তজাতিক আইন বিরোধী হবেনা।
আর্থিক বছর : ১ লা জুলাই হতে পরের বছরের ৩০ জুন গন্য করা হবে।
সংগঠন লাভ লোকসানের খতিয়ান, দায় ও সম্পদের বিবরন এবং অডিট/হিসাব নিরীক্ষকের বিবৃতি:
প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ র্নিভূল প্রমানের জন্য অনুমোদিত অডিট কমিটি ও অনুমোদিত অডিট ফার্ম বা সরকারী অডিট র্ফাম দ্বারা অডিট করে নিতে হবে। হিসাবের বিবরনী বার্ষিক সাধারন সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে যা আগেই পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল।
স্বীকৃত ও অভিজ্ঞ অডিটর দিয়ে অডিট করাতে হবে। হিসাবে দেশীয় স্ট্যান্ডার্ড মেন্টেন করতে হবে। লোকসান প্রবিশান থেকে পুরন করা যাবে। লোকসানের যথাযথ কারন থাকতে হবে। কোন র্কমর্কতা দ্বারা লোকসান ইচ্ছাকৃত হলে শাস্তিযোগ্য হইবে (শাস্তি পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবেন)।
সংগঠন প্রর্বতনে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন পরিচালকদের প্রদেয় অর্থের বিবরন
সংযুক্ত হইল।
প্রাথমিক খরচাদির বিবরন ও মূল্য
সংযুক্ত হইল।
বিবরনপত্র বা প্রসপেক্টাস প্রচার ও তৈরীর তারিখ
০৯/০২/২০২১
র্ভতি আবেদন পত্রের নমুনা
সংযুক্ত হইল।
এটি প্রথম সংস্করন হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে কোন সংশোধনী আনীত হলে ২য়, ৩য়, এভাবে হিসেবে চিহ্নিত হবে।
আমরা পুরো WEEN গঠনতন্ত্র পড়ে স্বজ্ঞানে সম্মতিসূচক সাক্ষরের মাধ্যমে মানিয়া নিলাম। এই গঠনতন্ত্র আমরা নিজেরা মেনে চলব ও আর যারা মেনে নিবে তারা সদস্য হিসেবে অর্ন্তভূক্ত হবে।
প্রচার ও তৈরীর তারিখ হতে র্কাযকর থাকবে।
নিয়মাবলীতে সাক্ষরকারী ব্যক্তি গনের নাম, স্থায়ী ও র্বতমান ঠিকানা, ইমেইল, মোবাইল নং
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
৭.
৮.
৯.
১০.
১১.
১২.
১৩.
১৪.
১৫.
১৬.
১৭.
১৮.
১৯.
২০.
২১.
চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/সেক্রেটারী জেনারেল (সংগঠনের একাউন্টধারীদের) নাম ও ঠিকানা
সংগঠনের হিসাব নিরীক্ষকের নাম ও ঠিকানা
আমরা সাক্ষীরা ঘোষনা করলাম যে পরিচালকরা পারস্পরিক সম্মতিতে গঠনতন্ত্র মানার চিহ্ন হিসেবে সাক্ষর করেছেন।
সাক্ষীগনের নাম, স্থায়ী ও র্বতমান ঠিকানা, পেশা, ইমেইল, মোবাইল নং, সাক্ষর।
১.
২.
৩.
৪.
৫.
বিদ্র:চুক্তিটি তিনটি ১০০ টাকার স্টাম্প ও এগারটি ৫ টাকার স্টাম্পের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
স্টাম্প নাম্বার গুলো হল:
Youth Women Marginal –People Society
Women Empowerment Enhancement Network
উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট এনহেন্সমেন্ট নেটওয়ার্ক
সংঘ স্মারক এবং গঠনতন্ত্র
সংগঠনের নাম
বাংলা নাম: উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট এনহেন্সমেন্ট নেটওয়ার্ক
ইংরেজী নাম: Women Empowerment Enhancement Network ( WEEN)
সংগঠনের ঠিকানা
মাহফুজা ভিলা (নীচতলা), নোয়াখালী পট্টি (আদর্শ গলির বিপরীতে)। দক্ষিন মুগদা পাড়া। আনন্দধারা। মুগদা। ঢাকা।
র্কম এলাকা
সমগ্র বাংলাদেশ।
আর্দশ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক বেসরকারী নারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি মহিলা অধিদপ্তরের নীতিমালা ও জাতিসংঘের বিশ্বময় ঘোষনা এবং মানবাধিকার নীতি অনুসরন করে চলবে।
মূখ্য লক্ষ্য
সংস্থার মূখ্য লক্ষ্য হবে সরকারের নীতিমালা ও আইনী কাঠামোর আওতায় নারী উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে শক্তিশালীকরন, নারী ও পারিবারিক সমস্যা বিমোচনে কাজ করা। কমতি (Gap) ও প্রয়োজন (Need) বিবেচনায় রেখে মানব সভ্যতা তৈরীতে অবদান রাখার নিমিত্তে নারী ও পরিবারগুলোকে উৎসাহ দিয়ে পরিপূরক (Complementary) পদ্ধতির দিকে মনোযোগ আর্কষন করে পরিবার গুলো থেকে উদ্যোক্তা (Initiator) তৈরীতে কাজ করে যাওয়া।
মূখ্য লক্ষ্য, আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে কোন কর্মসূচী সরকার, সংশ্লিষ্ট র্কতৃপক্ষ, র্অথায়নকারী সংস্থা, উপযুক্ত র্কতৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।আইন,নিয়ম নীতি অনুসরনের পাশাপাশি প্রচলিত সদ অভ্যাসকে (Good practice) অনুসরনযোগ্য ধরা হবে।
সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
WEEN – উইন – নারী দক্ষতা উন্নয়ন আন্দোলন। মধ্যম মানের ও নিম্ম মধ্যম মানের সাবেক নারী শির্ক্ষাথী, সাধারন নারী ও র্কমসংস্থানে অনিয়োজিত ত্রির্শোধ উচ্চশিক্ষিত বেকার নারী ও নিম্মবিত্ত নারীদের র্কমসংস্থান ও নারীদের মাধ্যমে পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির চিন্তা করে প্রতিষ্ঠিত একটি মিশনারী মহৎ উদ্যেগ।
এই সংগঠন নারীদের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, নারী দক্ষতা বৃদ্ধি (র্কমদক্ষতা ও মূল্যবোধের দক্ষতা), আপাতত নিম্মবিত্ত নারীদের র্কমসংস্থান ও মধ্যবিত্ত উচ্চশিক্ষিত নারীদের র্কমসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
সংগঠনটি ইংরেজীতে সংক্ষেপে WEEN
বাংলায় সংক্ষেপে উইন
নামে পরিচিত হবে
সদস্য হওয়ার উপযোগিতা
= জন্মগতভাবে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক সুস্থ, প্রাপ্তবয়ষ্ক, সমাজসেবামূলক মনোভাবী হলে এবং অত্র সংগঠনের লক্ষ্য, আর্দশ ও উদ্দেশ্যাবলীতে বিশ্বাসী হলে এ সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
= সদস্যপদ পূরনের প্রয়োজন হলে অত্র সংগঠনের র্নিদিষ্ট আবেদন ফরম পূরন করে কমপক্ষে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারী জেনারেল এর অনুমোদনের প্রমান সম্বলিত সাক্ষর দিয়ে সেই সত্যয়িত আবেদন ফরমের ফটোকপি গ্রহন করে, র্নিধারিত চাঁদা/ অনুদান/ফি প্রদান করতে সম্মত হলে সদস্য হবার যে কোন যোগ্য ব্যক্তি এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টরদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন অবশ্যই তাহা ডিরেক্টরের, এডিশনাল ডিরেক্টরের/ চেয়ারম্যানের,ভাইস চেয়ারম্যানের, সেক্রেটারী জেনারেলের মতের বিপক্ষে হইবেনা। সদস্য আবেদন ফরম চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সাক্ষরে অনুমোদিত হবে।
সদস্যপদ বাতিল
+কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য হলে।
+পরিচিত কোন র্ধমীয় দলের সদস্য হলে।
+অত্র সংস্থার বেতনভূক্ত পদে র্কমী হিসেবে নিয়োগ হলে।
+কোন সদস্য পরপর দুটি এজিএমে না আসলে বা বছরে তিনটি সদস্য আড্ডায় না আসলে ।
+সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও দেশের আইন পরিপন্থী কাজ করলে।
+ কোন সদস্য/সদস্যার মৃত্যু হলে, দেউলিয়া হলে বা মানসিক ভারসাম্য হারালে সদস্যপদ হারাবেন।
সদস্য তার মৃত্যুর পরের জন্য কাউকে পাওয়ার অব এটর্নি বা নমিনী দিলে তিনি ডিরেক্টর বডি (Director body) অনুমোদন সাপেক্ষে কাজ করতে পারবেন।
+পদত্যাগের আবেদন করলে এবং তা যথাযথ র্কতৃপক্ষ অনুমোদন করলে ।
+বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে র্সবোচ্চ আদালত র্কতৃক দোষী সাব্যস্ত হলে সদস্যপদ হাঁরাতে পারেন।
সদস্য সভার নোটিশ
প্রত্যেক পরিচালক তার আওতাধীন গ্রুপ সদস্যদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রোগ্রাম তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন গ্রুপ রেজুলেশন/র্সাকুলেশন বইতে সাক্ষর নিবেন। আবেদন ফরমে উল্লেখিত মোবাইলে ও ইমেইলে মেসেজ ও ইমেইল পাঠানো অফিসিয়াল আমন্ত্রন বলে গন্য হবে।
সদস্য সভা
=গ্রুপ পরিচালকের আওতাধীন সদস্যদের নিয়ে বছরে ছয়টি সদস্য আড্ডা অনুষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হবে।
=তিন পরিবার নিয়ে পরিবার বন্ডিং গেটটুগেদারগুলো প্রতি চারমাস পরপর তার অন্য দুটি বন্ডিং পরিবারের সম্মতিতে তিন পরিবারের একটিতে বেড়ানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
=বস্তুত একজন সদস্য বছরে একবার এজিএমে অংশগ্রহন ও ব্যাংকে মাসিক র্নিধারিত ডোনেশন/ফি জমা দেয়াকে "মূল দায়িত্ব" বিবেচনা করা হবে।
পরিচালনা পরিষদ
= দক্ষতার বৃদ্ধির জন্য বছরে ১৫ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডেপুটি ডিরেক্টর, ৩০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে জয়েন্ট ডিরেক্টর, ৪০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে এডিশনাল ডিরেক্টর, ৫০ জন সদস্য বৃদ্ধি করলে ডিরেক্টর হিসেবে বিবেচিত হবেন।
= র্নিবাচনে ভোট দানে, সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়া ও সম্মানী ভাতা শেয়ারিংয়ে সব ধরনের পরিচালকদের সমান র্মযাদা।
=পরিচালনা পরিষদ ৭ হতে ২১ জনে সীমাবদ্ধ থাকবে।
=পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেল/এমডি/সিইও প্রথমত ডিরেক্টরদের মধ্যে থেকে র্নিবাচিত করতে হবে। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা ডিরেক্টর পদ গ্রহনে রাজী না হলে তার পরের পদ হতে র্নিবাচন করা যাবে।
=সংগঠনের গ্রুপ পরিচালকদের নিয়ে উইন পরিচালনা র্পষদ গঠন করা হবে।
=ধারাবাহিক তিনটি পরিচালনা পরিষদ সভায় না আসলে পরিচালক তার পরিচালক পদ হারাতে পারেন।
=ভিন্ন ঘোষনা না হলে বছরে কমপক্ষে পরিচালকদের তিনটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারনত এপ্রিল, অগাস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ২য় শুক্রবার পরিচালনা পরিষদের মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। সংগঠন পরিচালনার প্রয়োজনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচালনা পরিষদ প্রোগ্রাম করা হবে।
=উপস্থিতির দুই তৃতীয়াংশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে।তবে পরর্বতীতে ১০ দিরে মধ্যে রেজুলেশনে পরিচালকদের অধিকাংশ এর সম্মতি সাক্ষর নিতে হবে। [বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে পরিচালকদের সংখ্যাগরিষ্টের মতামতে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।]
=জরুরী প্রোগ্রাম পরিচালকদের মৌখিক সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
=বার্ষিক সাধারন সভা অধিকাংশ পরিচালকদের লিখিত সম্মতিতে আয়োজন করা যাবে।
= পরিচালনা পরিষদ থেকে সক্রিয়তা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় অধিকাংশ ডিরেক্টর নিয়ে প্রয়োজনে সেক্রেটারীয়েট বা এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করা যাবে।
=অর্ন্তবতীকালীন চেয়ারম্যান এডিশনাল ডিরেক্টর, ভাইস চেয়ারম্যান জয়েন্ট ডিরেক্টর, সেক্রেটারী জেনারেল জয়েন্ট ডিরেক্টর পদর্মযাদায় থাকবেন। অর্ন্তবর্তী দায়িত্ব উপস্থিতির মতামতের ভিত্তিতে হবে। প্রথম দু বছর অর্ন্তবর্তীকাল হিসেবে বিবেচিত হবে। পরিচালকগন চাইলে সে দায়িত্ব এক বছর পর পরির্বতন হতে পারে।
=দু বছর পরপর পরিচালনা র্পষদ প্রয়োজনে পূর্নগঠন হতে পারে।
=গ্রুপ পরিচালকের অর্বতমানে গ্রুপ মেম্বারগন ইচ্ছা করলে প্রতি ১০ জনে একজন হাঁরে গ্রুপ পরিচালক হিসেবে নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন নিয়ে একজন নতুন গ্রুপ পরিচালক মনোনয়ন পাবেন।
=প্রতি ১৫-৫০ জনের গ্রুপ হতে গ্রুপ পরিচালক (র্নিবাচিত-নিয়োগপ্রাপ্ত) মনে করলে ভোটিংয়ের মাধ্যমে গ্রুপ কোঅর্ডিনেটর র্নিবাচিত করতে পারবেন।
= সকল ধরনের ডিরেক্টরগন সংগঠনের কাজ ও শেয়ারের র্শত পূরন করেন। কাজের ভিত্তিতে ও পরিচালনা সুবিধা বিবেচনায় পরিচালনা র্পষদ মেম্বার থেকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে এবং সেটা পরিচালকগন মানতে বাধ্য থাকবেন।
= দক্ষতা বৃদ্ধিতে এক্সপার্ট ডিরেক্টরদের বিশেষ সুবিধা থাকতে পারে।
=সংগঠনের র্শীষ ব্যক্তিরা পরিচালনা র্পষদের সমন্নয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির কাজ করবেন। প্রজেক্ট সংগঠনের উদ্যেগেও হতে পারে বা প্রজেক্টে ফাইনান্স করাও যেতে পারে।
সরকার, এনজিও, জাতিসংঘ, বিদেশী সংস্থার সাথে সমন্নয় করেও কাজ হতে পারে।
=যতদিন বেতনভূক্ত র্কমী রাখার সক্ষমতা হবেনা ততদিন পরিচালকরা বিনাবেতনে সংগঠন পরিচালনা করবেন।
=পরিচালনা পরিষদের প্রোগ্রামে র্নিদিষ্ট করে দেয়া কাজ পরিচালকদের সম্পন্ন করতে হবে।
=প্রতি পরিচালকের সুর্নিদিষ্ট কাজ থাকবে।
=সংগঠন প্রর্বতন করার প্রাথমিক খরচ সংগঠনের পরিচালকেরা বহন করবেন।
=আপাতত সদস্য/পরিচালকদের সংগঠনের ফান্ড থেকে ঋণ নেয়ার বিধান নেই।
=পরিচালনা র্পষদের মেয়াদকাল দু বছর।
=নতুন যে কোন ধরনের ডিরেক্টর হতে হলে র্শতাবলী পূরন সাপেক্ষে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন লাগবে।
=অধিকাংশ ডিরেক্টর দিয়ে এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন হবে।
=চুক্তির মাধ্যমে অন্য উদ্যোগ এর সাথে কনফেডারেশন গঠনের মাধ্যমেও বড় বড় প্রজেক্ট তৈরী হতে পারে।
পরিচালনা পরিষদের সভার নোটিশ
বছরের প্রথমেই প্রোগ্রামের তারিখ উল্লেখ সম্পন্ন রেজুলেশনে সকল পরিচালক পরিচালনা র্পষদ সভায় রেজুলেশনে সাক্ষর করবেন।
পরিচালনা পরিষদের সভা
১. আত্ব উন্নয়নে পরিচালনা পরিষদ সদস্যদের নিয়ে প্রতি দুই মাসে একটি বিষয়ভিত্তিক বা বই ভিত্তিক পাঠ আড্ডা করা হবে।
২. বছরে কমপক্ষে তিনটি পরিচালনা পরিষদ সহায়তায় প্রতিনিধি সভা করা হবে।
৩. বছরে একটি পরিচালনা পরিষদ ও সাধারন সদস্যদের সমন্বয়ে এজিএম করা হবে।
সিইও ও পরিচালনা র্পষদ র্কাযাবলী ও ক্ষমতাবলী
সংস্থার সকল বিষয়ে নীতি র্নিধারন, সাধারন দিক র্নিদেশনা, পরিকল্পনা প্রনয়ন ও অনুমোদন করা।
পরিচালনা র্পষদ সিইও নিয়োগ ও মনোনয়ন দান করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
সিইও পরিচালনা র্পষদের অধিকাংশ সম্মতিতে উর্ধ্বতন র্কমর্কতাগনের নিয়োগ সম্পন্ন করবেন।
চেয়ারম্যান/সিইও র্পষদ সভা আহবান করবেন ও সম্পন্ন করবেন।
বার্ষিক আয় ও ব্যায়ের হিসাব চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিচালকদের অধিকাংশ অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক সাধারন র্পষদের সভায় উপস্থাপন করবেন।
পরিচালনা র্পষদ বিভিন্ন কমিটি অনুমোদন দিবেন।
সিইও কে অডিট কমিটির কাছে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন ধরনের নিয়ম লংঘনের জন্য অডিট কমিটি পানিশমেন্ট কমিটিকে ডিসিপ্লিনারী একশান নিতে সুপারিশ করবেন।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করার জন্য পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে সিইও ক্ষমতা প্রাপ্ত হইবেন।
উন্নয়নের স্বার্থে সিইও বিনিয়োগ ও সোশ্যাল সিকিউরিটি ও বিভিন্ন ফান্ড, পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ র্নিদিষ্ট সম্মানী ভাতা বন্টন অনুমোদন করবেন, বেতন কাঠামো ও ব্যয় অনুমোদন দিবেন।
পরিচালনা র্পষদ সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতা প্রদান করবেন।
আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন হিসাব খোলা ও এ সংক্রান্ত সকল দায়িত্বপালনের জন্য ক্ষমতা প্রনয়ন করা।
পরিচালনা র্পষদ র্নিবাহী পরিচালকের (MD/CEO) নিকট হতে তার যাবতীয় র্কমকান্ডের বিষয়ে খবর নিবেন।
পদ ডিসমিস বা অবসায়ন
পরিচালনা পরিষদের ৭০% ভোটে যে কোন সদস্যের প্রমানিত নৈতিক বিশৃংখলা ও করাপশন এর জন্য তাকে পানিশমেন্ট কমিটির মাধ্যমে পদচ্যুত করবেন ও নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে নতুন পদায়ন করবেন।
কেউ অনৈতিক কোন্দল করলে যা সংগঠনের অস্তিত্ব বিনাশী তখন প্রয়োজনে চেয়ারম্যান একক ক্ষমতা বলে সংশ্লিষ্টদের পদচ্যুতি ঘটাতে পারবেন।
সাধারন র্পষদের ক্ষমতা
সংস্থার মিশন ভিশন ঠিক করার জন্য প্রস্তাবনা "পলিসি কমিটি"তে পাঠানো।
সংস্থার আর্দশ, লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পরিচালনা র্পষদ গঠন করা।
প্রয়োজন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট অডিট ফার্ম নিয়োগ করা। বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব গ্রহন, অনুমোদন করা,দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পলিসি ও প্লান অনুমোদন দেয়া।
সদস্যদের আইনী রক্ষাকবচ
সদস্যরা আবেদন ফরমের সত্যয়িত ফটোকপি পাবে।
সদস্যরা একটি আইডি র্কাড পাবে।
সদস্যরা গঠনতন্ত্রের একটি ফটোকপি পাবে।
পরিচালকরা দ্বিমাসিক ও সদস্যরা বাৎসরিক ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট সংগঠনের মেইল থেকে পাবে।
সকল জমা ব্যাংকে হবে ।
ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন লেনদেনের জন্য সংগঠন দায়ী হবেনা।
বড় চেক ৭০% পরিচালকের অনুমোদনে পাস হতে হবে।
চেয়ারম্যানের একক ক্ষমতা:
প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ও সাসটেইনেবিলিটির প্রয়োজনে চেয়ারম্যান এই গঠনতন্ত্রের প্রয়োজনীয় সংশোধন, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদস্থ ব্যক্তির সাময়িক পদচ্যুতি, রদবদল, নতুন কোন প্রজেক্টের সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারবেন।
তহবিলের উৎস
১) সংগঠনের প্রতি সদস্যের ১০০ টাকা ও তদোর্ধ্ব করে মাসিক অনুদান।
২) হিতাকাঙ্খীদের দান।
অনুমোদিত সংস্থা ব্যক্তি হতে প্রাপ্ত অনুদান/ ঋণ দ্বারা তহবিল গঠন করা যেতে পারে।
৩) বিনিয়োগ হতে আয়।
৪) সেবামূল্য গ্রহণ হতে আয়।
৫) সংগঠনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হতে আয়।
৬) প্রশিক্ষন, পরার্মশ ও সেবা হতে আয়।
তহবিল পরিচালনা
পরিচালনা র্পষদের লিখিত অনুমোদন সাপেক্ষে যে কোন নৈতিক ও মানের তফসীলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও সংরক্ষন করা যাইবে। তিনজন অনুমোদিত পরিচালক/র্কমর্কতার সাক্ষরে সংগঠনের দুই তৃতীয়াংশ পরিচালকের রেজুলেশন কপির মাধ্যমে বিনিয়োগ ও অন্যান্য নিয়মিত কাজের জন্য টাকা চ্যাকের মাধ্যমে ব্যাংক হতে উত্তোলন করা যাবে। সকল জমা, উত্তোলন ব্যাংকের মাধ্যম হবে এবং সকল ব্যয় অনুমোদিত ভাউচারের মাধ্যমে হবে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহন করা যেতে পারে।
ফরম প্রকাশনা, আইডি র্কাড তৈরী ব্যয়ে সদস্যদের র্ভতি ফরমের বিক্রয় মূল্য হতে ব্যয় করা যাবে। ফরম প্রকাশনা, আইডি র্কাড তৈরী ব্যয় সদস্যরা বহন করবেন।
সংগঠনের যাত্রা
ইন্টারিম (অর্ন্তবতীকালীন) পরিচালনা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের যাত্রা শুরু হবে।এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, এডিশনাল ডিরেক্টর, ডিরেক্টর প্রত্যেকেই ব্যাংক স্টেটমেন্টের জন্য সরকার নির্ধারিত শর্তানুযায়ী মোট টাকা সমভাবে ভাগ করে ব্যাংকে ডিপোজিট করবেন।
পরিচালক প্রত্যেকেই প্রাথমিক খরচ/ফি/ডোনেশন (চাঁদা) ক্রয় করবেন ও সংগঠন রেজিস্ট্রেশনের ব্যয়ভার বহন করবেন।একজন ডিরেক্টর ১ টি ৫০ জনের গুচ্ছকে পরিচালনা যোগ্যতার অধিকারী হবেন
ভিন্ন সিদ্ধান্ত না আসা র্পযন্ত ফরম মুল্য পরিচালকদের ২০০০ টাকা। সদস্যদের ফরম মুল্য ১০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
প্রতি মাসে সংগঠন পরিচালনার জন্য নুন্যতম ১০০ টাকা বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রদান করতে হবে।
প্রথম দুই বছরের শুরু সময়ে একজন চেয়ারম্যান, একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন সেক্রেটারী জেনারেল দায়িত্ব পালন করবেন। এই তিনজনের নামে ব্যাংক একাউন্ট হবে।এ তিনজনের মধ্যে দুজনের যৌথ সা সাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত পরিচালক রেজুলেশানে পাস থাকতে হবে।
৭/৯/১১জন বা বিজোড় সংখ্যক অনুমোদিত ডেটিকেটেড বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরগন সংগঠন পরিচালনায় সহযোগিতা করবেন।
=একটি অবৈতনিক উপদেষ্টা কমিটি এবং একটি অবৈতনিক গবেষনা কমিটি করা যেতে পারে।
অনুমোদিত কোন সংস্থা আপাতত সেই দায়িত্ব আপাতত পালন করবে।
পরিচালক ও সদস্যদের পারিশ্রমিকের র্বননা/লভ্যাংশ বন্টনের পদ্ধতি
বিভিন্ন মানের ডিরেক্টরের সম্মানী সমান হবে।
সংগঠন মুল্যবোধ বৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যানের কাজ করবে। আপাতত ক্ষতির সম্ভাবনার প্রজেক্টে না যাওয়াই উচিত ও সঞ্চয় র্কাযক্রমে থাকা দরকার।
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা
র্কমর্কতা র্কমচারীর অযোগ্যতা হল দেশীয় আইনের বিধান পরিপন্থী কাজ করা।
সংগঠনের প্রসপেক্টাস বিরোধী কাজ করা।
সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর কোন কাজে যুক্ত হওয়া।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা সিইও ও অন্যন্য র্কমর্কতা র্কমচারীর পারিতোষিক র্বণনা
বেতন কাঠামো যুগোপযোগী করে পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবে।
দায়বদ্ধতা: সংস্থার র্নিবাহী পরিচালক/এমডি/সিইও পরিচালনা র্পষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তিনি পদাধিকার বলে পরিচালনা র্পষদ ও সাধারন র্পষদের সদস্য সচিব বা সেক্রেটারী জেনারেল থাকবেন।
সদস্যপদ হস্তান্তর বিধান
সদস্যরা গ্রুপ পরিচালক ও পরিচালনা র্পষদের সম্মতিতে সদস্যপদ হস্তান্তর করতে পারবেন তা ক্ষেত্রমতে ডিরেক্টর বা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারী জেনারেলের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে হতে হবে।
মৃত্যু: পরিচালক ও সদস্যদের মনোনীত উত্তরাধিকার সম্মানী ভাতা পাবে। মনোনীত না থাকলে ওয়ারিশান আইন অনুসারে সম্মানী ভাতা বন্টন হবে। কোন সদস্য ও পরিচালকের মৃত্যুর পর মনোনীত উত্তরাধিকার বা যোগ্যতা সম্পন্ন উত্তরাধিকার হতে আবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য/পরিচালক মনোনীত করা হবে।
প্রত্যেক সদস্য আবেদন ও বন্টনের সময় দেয়া র্অথের পরিমান: র্নিদিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন চেয়ারম্যান বা ডিরেক্টরের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে গ্রহন করা হবে।
দায় কেহ গ্রহন করিলে তার নাম ও ঠিকানা: ঘটনা ঘটা সাপেক্ষে র্পূণ বিবরন ও চুক্তি সংরক্ষণ করা হইবে।
কোরাম গঠন
বার্ষিক সাধারন সভায় ও পরিচালনা র্পষদের সভায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের উপস্থিতিকে কোরাম পূর্ন হয়েছে বিবেচনা করা হবে।
কোরাম না হলেও আলোচনা হবে এবং সে আলোচনার রেজুলেশনে অধিকাংশ বা দুই তৃতীয়াংশের সম্মতি সাক্ষর লাগবে।
সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ্ধতি
=পূর্নাঙ্গ পরিচালনা র্পষদ চেয়ারম্যান অবশ্যই ডিরেক্টর হবেন।ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে পরের মান থেকে র্নিবাচিত হবেন।
=ডিরেক্টর।
=ভাইস চেয়ারম্যান,গ্রুপ পরিচালক
= সেক্রেটারী জেনারেল, গ্রুপ পরিচালক।
=এডিশনাল ডিরেক্টর ,গ্রুপ পরিচালক।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর, গ্রুপ পরিচালক।
=সেক্রেটারী জেনারেল/সিইও/সদস্য সচিব/এমডি, গ্রুপ পরিচালক বা পরিচালনা র্পষদ অর্থনৈতিক র্কাযক্রম মনিটরিং।
=জয়েন্ট ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
=ডেপুটি ডিরেক্টর ও গ্রুপ পরিচালক।
= প্রতিষ্ঠাকালীন এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ও গ্রুপ পরিচালক।
=মেম্বার।
বিভিন্ন কমিটির বিবরন
বিনিয়োগ বা প্রকল্প অনুমোদন কমিটি (পরিচালনা র্পষদ র্কতৃক বিনিয়োগ নীতি অনুমোদন সাপেক্ষে)
অডিট কমিটি
একাউন্ট পরিচালনা কমিটি
উপদেষ্টা কমিটি
গবেষনা কমিটি
প্রোকিউরমেন্ট কমিটি
ইলেকশান কমিটি
পানিশমেন্ট কমিটি
নিয়োগ কমিটি
পরিবার ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কমিটি।
মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষন কমিটি।
পরিচালনা র্পষদের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিভিন্ন কমিটি।
র্নিবাচন
দু বছরের পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ উত্ত্বীর্ণ হওয়ার পূর্বে পরিচালকদের প্রত্যক্ষ ভোটে পরিচালনা র্পষদের র্নিবাচন অনুষ্টিত হবে। ডিরেক্টর চেয়ারম্যান হবেন। ডিরেক্টর পাওয়া না গেলে বা রাজী না থাকলে তার পরের মান থেকে চেয়ারম্যান হবেন। ভাইস চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারী জেনারেল তথৈবচ। মানের ক্রম হল
১. চেয়ারম্যান ২. ডিরেক্টর ৩. ভাইস চেয়ারম্যান ৪.সেক্রেটারী জেনারেল ৫. এডিশনাল ডিরেক্টর ৬. কনসালটেন্ট ও উপদেষ্টা ৭. জয়েন্ট ডিরেক্টর ৮. ডেপুটি ডিরেক্টর ৯. ফাউন্ডিং টাইম এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (এফএডি) ১০.সদস্য ।
চেয়ারম্যান নিজস্ব অডিটিং প্রধান বিবেচিত হবেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পানিশমেন্ট কমিটি প্রধান।
সেক্রেটারী জেনারেল সিইও/এমডি/প্রধান কোষাধ্যক্ষ বিবেচিত হবেন।
কোন কমিটি বলবৎ না থাকলে পদাধিকার বলে সিইও/এমডি ঐই কমিটির অর্ন্তর্বতীকালীন প্রধান থাকবেন তা এক বছরের বেশী হইবেনা।
গঠনতন্ত্র সংশোধন
গ্রুপ পরিচালকের বিবেচনা সাপেক্ষে সদস্যদের অনুমোদিত গ্রুপ থেকে লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে,
কোন ডিরেক্টরের লিখিত সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে, অধিকাংশ পরিচালকের গঠনতন্ত্র সংশোধন প্রস্তাবনা পেলে, পরিচালনা র্পষদের ৭০% এর সম্মতিতে সংশোধনী গৃহিত হতে পারে যা সংগঠনের আর্দশ, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, দেশ ও জাতিসংঘ অনুমোদিত আর্ন্তজাতিক আইন বিরোধী হবেনা।
আর্থিক বছর : ১ লা জুলাই হতে পরের বছরের ৩০ জুন গন্য করা হবে।
সংগঠন লাভ লোকসানের খতিয়ান, দায় ও সম্পদের বিবরন এবং অডিট/হিসাব নিরীক্ষকের বিবৃতি:
প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ র্নিভূল প্রমানের জন্য অনুমোদিত অডিট কমিটি ও অনুমোদিত অডিট ফার্ম বা সরকারী অডিট র্ফাম দ্বারা অডিট করে নিতে হবে। হিসাবের বিবরনী বার্ষিক সাধারন সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে যা আগেই পরিচালনা র্পষদের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল।
স্বীকৃত ও অভিজ্ঞ অডিটর দিয়ে অডিট করাতে হবে। হিসাবে দেশীয় স্ট্যান্ডার্ড মেন্টেন করতে হবে। লোকসান প্রবিশান থেকে পুরন করা যাবে। লোকসানের যথাযথ কারন থাকতে হবে। কোন র্কমর্কতা দ্বারা লোকসান ইচ্ছাকৃত হলে শাস্তিযোগ্য হইবে (শাস্তি পরিচালনা র্পষদ ঠিক করবেন)।
সংগঠন প্রর্বতনে সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন পরিচালকদের প্রদেয় অর্থের বিবরন
সংযুক্ত হইল।
প্রাথমিক খরচাদির বিবরন ও মূল্য
সংযুক্ত হইল।
বিবরনপত্র বা প্রসপেক্টাস প্রচার ও তৈরীর তারিখ
০৯/০২/২০২১
র্ভতি আবেদন পত্রের নমুনা
সংযুক্ত হইল।
এটি প্রথম সংস্করন হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে কোন সংশোধনী আনীত হলে ২য়, ৩য়, এভাবে হিসেবে চিহ্নিত হবে।
আমরা পুরো WEEN গঠনতন্ত্র পড়ে স্বজ্ঞানে সম্মতিসূচক সাক্ষরের মাধ্যমে মানিয়া নিলাম। এই গঠনতন্ত্র আমরা নিজেরা মেনে চলব ও আর যারা মেনে নিবে তারা সদস্য হিসেবে অর্ন্তভূক্ত হবে।
প্রচার ও তৈরীর তারিখ হতে র্কাযকর থাকবে।
নিয়মাবলীতে সাক্ষরকারী ব্যক্তি গনের নাম, স্থায়ী ও র্বতমান ঠিকানা, ইমেইল, মোবাইল নং
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
৭.
৮.
৯.
১০.
১১.
১২.
১৩.
১৪.
১৫.
১৬.
১৭.
১৮.
১৯.
২০.
২১.
চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/সেক্রেটারী জেনারেল (সংগঠনের একাউন্টধারীদের) নাম ও ঠিকানা
সংগঠনের হিসাব নিরীক্ষকের নাম ও ঠিকানা
আমরা সাক্ষীরা ঘোষনা করলাম যে পরিচালকরা পারস্পরিক সম্মতিতে গঠনতন্ত্র মানার চিহ্ন হিসেবে সাক্ষর করেছেন।
সাক্ষীগনের নাম, স্থায়ী ও র্বতমান ঠিকানা, পেশা, ইমেইল, মোবাইল নং, সাক্ষর।
১.
২.
৩.
৪.
৫.
বিদ্র:চুক্তিটি তিনটি ১০০ টাকার স্টাম্প ও এগারটি ৫ টাকার স্টাম্পের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
স্টাম্প নাম্বার গুলো হল:
Comments
Post a Comment